• ৭ ভাদ্র ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mohun Bagan

খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

দুই দশকের ডুরান্ডের আক্ষেপ ঘোচানোর লড়াই, ডার্বির আগে হাবাসের মন্ত্র—‘আবেগ নয়, বুদ্ধিই শেষ কথা’

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অপেক্ষা। শেষ বার ২০০৪ সালে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ২-১ গোলে হারিয়ে ট্রফি জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর থেকে সময় গড়িয়েছে, বদলেছে দল, কোচ, ফুটবলারকিন্তু লাল-হলুদ শিবিরের ডুরান্ড-খরা কাটেনি। ২২ বছর পর সেই আক্ষেপ মুছে ফেলার সামনে দাঁড়িয়ে ইস্টবেঙ্গল। আর সেই লড়াইয়ের মঞ্চে প্রতিপক্ষ আবারও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান।রবিবারের ডুরান্ড ফাইনাল তাই শুধু একটি ট্রফির লড়াই নয়। একদিকে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটানোর তাগিদ, অন্যদিকে ডার্বির অতিরিক্ত উত্তেজনাসব মিলিয়ে ম্যাচের আবহ ইতিমধ্যেই তুঙ্গে। তবে এই আবেগকেই নিয়ন্ত্রণে রাখাকে সাফল্যের অন্যতম চাবিকাঠি বলে মনে করছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস।হাবাসের কাছে ডার্বি মানেই শুধু আবেগের লড়াই নয়, বরং মাথা ঠান্ডা রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরীক্ষা। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের কাছে ম্যাচটির গুরুত্ব যতই বেশি হোক, তাঁর দলকে মাঠে নেমে এটিকে একটি সাধারণ ম্যাচের মতোই খেলতে হবে।হাবাসের কথায়, ডার্বিতে আবেগ থাকবেই। কিন্তু সেই আবেগ যদি খেলোয়াড়দের নিয়ন্ত্রণ করে, তাহলে কৌশল এবং পরিকল্পনা ভেস্তে যেতে পারে। তাই তাঁর লক্ষ্য আবেগের মাত্রা ১০০ শতাংশ থেকে নামিয়ে প্রায় ২৫ শতাংশে নিয়ে আসা। ম্যাচের ৯০ মিনিটে কোন মুহূর্তে ঝুঁকি নিতে হবে, কখন ধৈর্য ধরতে হবে এবং কখন কৌশল বদলাতে হবেসেই বুদ্ধিমত্তাই পার্থক্য গড়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।ফাইনালের আগে ইস্টবেঙ্গলের জন্য বড় ধাক্কা পিভি বিষ্ণুর অনুপস্থিতি। সেমিফাইনালের মতো ফাইনালেও মাঠে নামতে পারবেন না দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আক্রমণভাগের ফুটবলার। চলতি ডুরান্ডে দুরন্ত ছন্দে ছিলেন বিষ্ণু। সিআইএসএফের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের ৮-০ জয়ের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে নজর কেড়েছিলেন তিনি। তাঁর গতি এবং আক্রমণাত্মক ফুটবল প্রতিপক্ষের রক্ষণকে একাধিক বার সমস্যায় ফেলেছে।বিষ্ণুকে না পাওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই পরিকল্পনায় কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে হাবাসকে। তাঁর জায়গায় প্রথম একাদশে বিপিন সিংয়ের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিকল্প হিসেবে ভাবনায় রয়েছেন জেসিন টিকে। ডুরান্ডেই সিআইএসএফের বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে নিজের দাবিও জোরালো করেছেন তিনি।শুধু বিষ্ণু নন, ফাইনালে এফিয়ংকেও পাওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন হাবাস। বিদেশি স্ট্রাইকার এবং ডিফেন্ডার ছাড়া এমন গুরুত্বপূর্ণ ডার্বিতে নামা যে সহজ নয়, তা স্বীকার করেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। তবে সমস্যাকে সামনে রেখে অজুহাত তৈরি করতে তিনি একেবারেই রাজি নন।হাবাসের বক্তব্য, রেফারিং, প্রতিপক্ষ কিংবা দলের কোনও নির্দিষ্ট ফুটবলার না থাকার মতো বিষয়কে সামনে রেখে ম্যাচের আগে অজুহাত খোঁজা অর্থহীন। মাঠে যে ফুটবলাররা থাকবেন, তাঁদের নিয়েই সেরাটা দিতে হবে। তাঁর বিশ্বাস, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও ইস্টবেঙ্গল নিজেদের সেরা ফুটবল খেলতে সক্ষম।অন্যদিকে, মোহনবাগানকে যথেষ্ট সমীহ করছেন লাল-হলুদ কোচ। সবুজ-মেরুন দলের প্রত্যেক ফুটবলারকেই বিপজ্জনক বলে মনে করছেন তিনি। বিশেষ করে গোলরক্ষক বিশাল কাইথের প্রশংসা করেছেন হাবাস। তবে নিজের দলের গোলরক্ষক প্রভসুখন সিং গিলের উপরও তাঁর আস্থা অটুট। ফলে ফাইনালে দুই গোলরক্ষকের পারফরম্যান্সও ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ডার্বির উত্তাপের মধ্যেও অবশ্য প্রস্তুতির ধরন বদলে ফেলেছে ইস্টবেঙ্গল। ফাইনালের আগে মাঠের অনুশীলন বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল। হাবাসের মতে, এই মুহূর্তে আরও একটি অনুশীলনের চেয়ে ফুটবলারদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়া বেশি জরুরি। গত কয়েক দিনে ম্যাচের প্রস্তুতি এবং রিকভারির জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া গিয়েছে। তাই ফুটবলারদের শরীরকে তরতাজা রাখাই এখন তাঁর অগ্রাধিকার।মাঠের বদলে হোটেলেই চলবে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি। জিমে অনুশীলন, ফুটবলারদের কাছ থেকে আরও নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং ইনডোর সেশনের মাধ্যমে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সারবে দল।সব মিলিয়ে রবিবারের ফাইনাল ইস্টবেঙ্গলের কাছে একাধিক কারণে বিশেষ। ২২ বছরের ডুরান্ড-খরা কাটানোর হাতছানি, সামনে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান, আবার ২০০৪ সালের ফাইনালের স্মৃতিও ফিরছে। কিন্তু ইতিহাস কিংবা আবেগ নিয়ে বেশি ভাবতে চান না হাবাস। তাঁর কাছে হিসাবটা একেবারেই সরল৯০ মিনিট মাথা ঠান্ডা রেখে খেলতে হবে, সঠিক মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং কোনও অজুহাত ছাড়াই ট্রফির জন্য লড়াই করতে হবে।২২ বছর আগের সেই জয়ের স্মৃতি কি আবারও লাল-হলুদ সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাবে? নাকি ডার্বির মঞ্চেই ইস্টবেঙ্গলের দীর্ঘ অপেক্ষা আরও বাড়বেউত্তর মিলবে রবিবারের মহারণে।

আগস্ট ২২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ডার্বির আগে ক্লান্তি-ক্ষোভ, তবু জয়ের জেদে মোহনবাগান! ফাইনালের মঞ্চে ‘মোমেন্টাম’-কেই অস্ত্র করছেন প্যানোস

তিন বছর পর ফের ডুরান্ড কাপের ফাইনালে কলকাতা ডার্বি। রবিবারের মহারণকে ঘিরে ইতিমধ্যেই উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে। একদিকে ইস্টবেঙ্গল, অন্যদিকে মোহনবাগানদুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াইয়ে ট্রফির পাশাপাশি সম্মানের প্রশ্নও জড়িয়ে। কিন্তু ফাইনালের আগে দুই দলের প্রস্তুতির ছবিটা একেবারেই এক নয়। বিশেষ করে শিলং থেকে কলকাতায় ফিরে আসার ধকল এবং ঠাসা সূচি নিয়ে রীতিমতো ক্ষুব্ধ মোহনবাগান কোচ প্যানাজিওটিস দিলম্পেরিস।সেমিফাইনালে টাইব্রেকারে শিলং লাজংকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে মোহনবাগান। একইভাবে পেনাল্টি শুটআউটে জয় পেয়েছে ইস্টবেঙ্গলও। তবে লাল-হলুদ শিবিরের তুলনায় সবুজ-মেরুনের সমস্যা বেশি। কলকাতায় ম্যাচ খেলে ইস্টবেঙ্গল যেখানে ঘরের পরিবেশেই প্রস্তুতির সুযোগ পেয়েছে, সেখানে শিলং থেকে কলকাতায় ফেরার পথেই মোহনবাগান ফুটবলারদের পেরোতে হয়েছে নানা ঝক্কি।এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ম্যাচের ঘনঘটা। মাত্র ছদিনের মধ্যে তিনটি ম্যাচ খেলতে হয়েছে মোহনবাগানকে। ফলে অনুশীলন এবং বিশ্রামের জন্য প্রয়োজনীয় সময় প্রায় মেলেনি। এমন পরিস্থিতিতে ডার্বির মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে দলের প্রস্তুতি কতটা ব্যাহত হয়েছে, তা নিয়ে কোনও রাখঢাক করেননি প্যানোস।গ্রিক কোচের বক্তব্যে স্পষ্ট, সূচি নিয়ে তাঁর অসন্তোষ যথেষ্ট গভীর। গ্রুপ পর্বে সবার উপরে থাকার পরেও তাঁর দলকে যে পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে, তা মেনে নিতে পারছেন না তিনি। প্যানোসের কথায়, গ্রুপ পর্বে সেরা দল হওয়ার পরও তাঁদের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে, তাতে তিনি এবং দলের ফুটবলাররা হতাশ।শুধু ম্যাচ খেললেই যে প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয় না, সেটিও মনে করিয়ে দিয়েছেন মোহনবাগান কোচ। তাঁর বক্তব্য, এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় গিয়ে ম্যাচ খেলে পরের ম্যাচের জন্য তৈরি হয়ে যাওয়া যায় না। শিলংয়ের ম্যাচের পর দলের অনুশীলনের সুযোগও হয়নি। ফলে ফুটবলারদের শারীরিক ক্লান্তির পাশাপাশি ম্যাচের আগে কৌশলগত প্রস্তুতির ঘাটতিও থাকছে।তবে সমস্যার কথা বললেও ডার্বির আগে আত্মবিশ্বাসে কোনও ঘাটতি নেই প্যানোসের। বরং প্রতিকূল পরিস্থিতিকে সরিয়ে রেখে ফাইনালের মঞ্চে জয়ের জন্যই দলকে প্রস্তুত করছেন তিনি। তাঁর মতে, এই ধরনের ম্যাচে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে মোমেন্টাম। ম্যাচের শুরু থেকে ছন্দ নিজেদের দখলে রাখতে পারলে পরিস্থিতি নিজেদের পক্ষে ঘুরিয়ে দেওয়া সম্ভব।এবারের ডুরান্ডে মোহনবাগানের অভিযানও শুরু হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে। স্বাভাবিকভাবেই সেই জয় ফাইনালের আগে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিতে পারে। কিন্তু প্যানোস অতীতের ফলাফলকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তাঁর মতে, গ্রুপ পর্বের ম্যাচ আর ফাইনাল সম্পূর্ণ আলাদা। এবার এমন একটি ম্যাচ, যার পর আর পরের ম্যাচের জন্য অপেক্ষা করার সুযোগ নেইজিততেই হবে।মোহনবাগানের শক্তি বাড়িয়েছে বিদেশি ফুটবলারদের যোগদানও। নতুনদের নিয়ে আশাবাদী কোচ। তবে ফাইনালের মতো ম্যাচে শুধুমাত্র অভিজ্ঞতাই যে জয়ের নিশ্চয়তা দিতে পারে না, সেটাও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। তাঁর কাছে দলগত পারফরম্যান্স এবং ম্যাচের মুহূর্তকে কাজে লাগানোই আসল।আর সেই দলগত লড়াইয়ের অন্যতম বড় ভরসা গোলরক্ষক বিশাল কাইথ। পরপর দুই ম্যাচে টাইব্রেকারে গুরুত্বপূর্ণ পেনাল্টি বাঁচিয়ে মোহনবাগানকে ফাইনালে তুলেছেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ কোচ। বিশালের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ প্যানোস তাঁকে দেশের সেরা গোলরক্ষকদের একজন বলেই মনে করছেন।অন্যদিকে রবিবারের ডার্বি নিয়ে প্রবল উত্তেজিত মোহনবাগানের নতুন মুখ সমীর জেলকোভিচও। সবুজ-মেরুন জার্সিতে এটি তাঁর তৃতীয় ম্যাচ, আর কেরিয়ারের প্রথম কলকাতা ডার্বি। ভারতীয় ফুটবলের সবচেয়ে বড় ম্যাচের অংশ হতে পারাকে তিনি গর্বের বলে মনে করছেন। তবে শুধু ডার্বি খেলার অভিজ্ঞতা নয়, ট্রফি জিতেই সমর্থকদের সঙ্গে উৎসবে মাততে চান তিনি।দলে দেরিতে যোগ দিয়েও সতীর্থদের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিয়েছেন সমীর। মজার বিষয়, ইস্টবেঙ্গলের দানি র্যামিরেজের সঙ্গেও তাঁর আগে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। ফলে ডার্বির প্রতিপক্ষের এক ফুটবলারকে তিনি বেশ ভালোভাবেই চেনেন। তবে মাঠে বন্ধুত্বের কোনও জায়গা থাকবে নালক্ষ্য একটাই, মোহনবাগানের জয়।সব মিলিয়ে ডুরান্ড ফাইনালের আগে মোহনবাগানের সামনে রয়েছে এক অদ্ভুত সমীকরণ। একদিকে ক্লান্তি, ভ্রমণের ধকল, অনুশীলনের ঘাটতি এবং সূচি নিয়ে কোচের ক্ষোভ; অন্যদিকে ডার্বির উত্তেজনা, আত্মবিশ্বাস এবং ট্রফি জয়ের তীব্র আকাঙ্ক্ষা। শেষ পর্যন্ত সেই প্রতিকূলতাকে পেরিয়ে কোন দল নিজেদের সেরাটা মেলে ধরতে পারে, তার উপরই নির্ভর করবে ডুরান্ডের মুকুট কার মাথায় উঠবে। আর প্যানোসের বার্তা একেবারে পরিষ্কারঅজুহাত নয়, ডার্বিতে চাই ১০০ শতাংশ লড়াই এবং জয়।

আগস্ট ২২, ২০২৬
রাজ্য

বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি ছাড়াই মাঠের তালা খোলা! বর্ধমানে বিজেপি বিধায়ককে ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে

বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ বহুদিন বন্ধ থাকা মোহনবাগান মাঠের তালা খোলাকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের তির উঠেছে বর্ধমান দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রের বিরুদ্ধে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি বা আনুষ্ঠানিক আলোচনা ছাড়াই তিনি সাধারণের ব্যবহারের জন্য মাঠ খুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধী রাজনৈতিক মহল যেমন প্রশ্ন তুলেছে, তেমনই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তরফেও অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা ঐতিহ্যবাহী মোহনবাগান মাঠটি সাধারণের জন্য বন্ধ ছিল। শনিবার বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে পরিদর্শনে এসে মাঠটি তালাবন্ধ অবস্থায় দেখতে পান বিধায়ক মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র। এরপর তিনি তাঁর সঙ্গে থাকা কর্মীদের তালা খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই মাঠ খুলে দেওয়া হয় এবং স্থানীয়দের প্রবেশের সুযোগ তৈরি হয়।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছে বিরোধীরা। স্থানীয় কংগ্রেস নেতা গৌরব সমাদ্দার তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, বিধায়ক এখনও বুঝে উঠতে পারেননি কোন বিষয় তাঁর প্রশাসনিক এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে আর কোনটা পড়ে না। তিনি ব্যঙ্গের সুরে বলেন, নতুন বই হাতে পাওয়া বাচ্চারা যেমন আগ্রহ নিয়ে পাতা উল্টে দেখে, ঠিক তেমনই নতুন বিধায়ক গলায় মালা পরে সঙ্গী-সাথীদের নিয়ে প্রতিদিন ছুটে বেড়াচ্ছেন।যদিও সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে নিজের সিদ্ধান্তের পক্ষে সওয়াল করেছেন বিজেপি বিধায়ক মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র। তাঁর বক্তব্য, এত বড় একটি মাঠ বছরের পর বছর বন্ধ পড়ে থাকা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। তিনি বলেন, এই মাঠ এলাকার মানুষের সম্পদ। শিশু থেকে প্রবীণ সকলে এখানে এসে খেলাধুলা করতে পারবেন, হাঁটাচলা করতে পারবেন। মানুষের স্বার্থেই মাঠ খুলে দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শঙ্কর কুমার নাথ স্পষ্ট জানিয়েছেন, মাঠ খোলার বিষয়ে তাঁকে বা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারকে আগে থেকে কিছুই জানানো হয়নি। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে না জানিয়েই মাঠ খুলে দেওয়া হয়েছে, যা সমস্যার সৃষ্টি করেছে। এই মাঠে সকাল-বিকেল স্নাতকোত্তর পড়ুয়াদের প্রশিক্ষণ চলে। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক খেলায় অংশ নেওয়া ছাত্রছাত্রীরাও এখানে নিয়মিত অনুশীলন করেন। ইতিমধ্যেই প্রশিক্ষক এক অধ্যাপক বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন। তাঁকে লিখিত অভিযোগ জমা দিতে বলা হয়েছে।এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোরের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক অধিকার ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির ক্ষমতার সীমা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এখন দেখার, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ করে কি না এবং বিতর্ক কোন দিকে গড়ায়।

মে ২৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে? ডার্বির আগে ট্রফি জয়ের হুঙ্কার ইস্টবেঙ্গল কোচের

দেশের সর্বোচ্চ লিগ জয়ের জন্য ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের অপেক্ষা দীর্ঘ ২২ বছরের। শেষবার ২০০৩-০৪ মরশুমে দেশের সেরা হয়েছিল লাল-হলুদ। তারপর আইলিগ থেকে দেশের প্রধান লিগ হয়ে যায় আইএসএল। কিন্তু এত বছরেও লিগ ট্রফি ঢোকেনি ইস্টবেঙ্গল তাবুতে। কয়েকবার সুযোগ এসেও হাতছাড়া হয়েছে সাফল্য। সেই দীর্ঘ হতাশা ও যন্ত্রণা খুব ভালভাবেই অনুভব করছেন ইস্টবেঙ্গলের কোচ অস্কার ব্রুজো।ডার্বির আগে সাংবাদিক বৈঠকে আবেগঘন বার্তা দিলেন লাল-হলুদ কোচ। তিনি বলেন, একজন সমর্থকের কষ্ট তিনি বোঝেন। ক্লাবে তাঁর ভবিষ্যৎ কী হবে বা তিনি থাকবেন কি না, এই সব নিয়ে এখন ভাবছেন না। তাঁর একমাত্র লক্ষ্য ইস্টবেঙ্গলকে আবার ট্রফি জেতানো।অস্কার ব্রুজো বলেন, দেড় বছর আগে যে জায়গায় ছিল ইস্টবেঙ্গল, এখন সেই পরিস্থিতি অনেক বদলেছে। গত কয়েক বছরে দল কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। তার প্রভাব পড়েছিল ফুটবলারদের মানসিকতার উপরেও। তবে এখন ধীরে ধীরে দল ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং জয়ের মানসিকতা তৈরি হয়েছে।এর পাশাপাশি ইস্টবেঙ্গলের প্রতি নিজের আবেগও লুকোননি ব্রুজো। তিনি স্পষ্ট বলেন, তিনি নিজেকে ইস্টবেঙ্গলের বড় সমর্থক বলেই মনে করেন। তাঁর কথায়, আমার ভেতরে লাল-হলুদ রংই রয়েছে। সমর্থকদের দুঃখ, হতাশা, যন্ত্রণা সবটাই বুঝি। গত কয়েক বছরে কী হয়েছে, তা আমি জানি। প্রায় দুদশক আমরা লিগ পাইনি। কিন্তু এখন আমরা খেতাব জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছি।ডার্বির গুরুত্ব নিয়েও মুখ খুলেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। তিনি বলেন, এই ম্যাচ দল এবং সমর্থকদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও এভাবেই সাফল্যের পথে এগিয়ে যেতে চায় ইস্টবেঙ্গল।বর্তমানে আইএসএল লিগ তালিকার শীর্ষে রয়েছে বেঙ্গালুরু। তেরো ম্যাচে তাদের পয়েন্ট তেইশ। যদিও ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানের থেকে দুটি বেশি ম্যাচ খেলেছে তারা। এগারো ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের পয়েন্ট বাইশ। গোল পার্থক্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে লাল-হলুদ, তৃতীয় স্থানে সবুজ-মেরুন। ফলে এই ডার্বি ম্যাচ লিগ জয়ের লড়াইয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যে দল জিতবে, তারাই ট্রফির দিকে অনেকটা এগিয়ে যাবে।

মে ১৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

সবুজ-মেরুনের অভিভাবকের বিদায়: প্রয়াত টুটু বসু, শোকে স্তব্ধ ময়দান

কলকাতার ফুটবল মহলে নেমে এল গভীর শোকের ছায়া। প্রয়াত হলেন স্বপন সাধন বসু (টুটু বসু)। মঙ্গলবার গভীর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মোহনবাগানের এই প্রাক্তন সভাপতি ও প্রাক্তন সাংসদ। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।সোমবার সন্ধ্যায় আচমকাই হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন টুটু বসু। দ্রুত তাঁকে দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছিল। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। মঙ্গলবার গভীর রাতে চিরবিদায় নিলেন সবুজ-মেরুনের এক স্বর্ণযুগের নির্মাতা।ময়দানের ইতিহাসে টুটু বসুর নাম উচ্চারিত হবে শ্রদ্ধার সঙ্গে। মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan Super Giant)-এর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল আত্মার মতো গভীর। ১৯৯১ সালে ক্লাবের সচিব হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে একাধিক যুগান্তকারী সিদ্ধান্তে বদলে দেন মোহনবাগানের ভবিষ্যৎ। তাঁর হাত ধরেই ক্লাবে প্রথম বিদেশি ফুটবলার হিসেবে এসেছিলেন নাইজিরিয়ান ফুটবলার চিমা ওকেরি কে যা সে সময় ছিল সাহসী এবং ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।পরবর্তীতে সভাপতির আসনে বসে আরও বড় পরিবর্তনের পথ খুলে দেন তিনি। শিল্পপতি সাঞ্জীব গোয়েঙ্কা-র হাতে ক্লাবের মালিকানার দায়িত্ব তুলে দিয়ে ভারতীয় ফুটবলের কর্পোরেট যুগে প্রবেশ করান মোহনবাগানকে। যদিও এটিকে-মোহনবাগান (ATK Mohun Bagan) নামকরণ ঘিরে বিতর্ক হয়েছিল প্রবল, তবু ভবিষ্যতের কথা ভেবেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি।শুধু ক্রীড়া প্রশাসক নন, টুটু বসুর পরিচয় বিস্তৃত ছিল রাজনীতি ও ব্যবসার জগতেও। তিনি সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস (All India Trinamool Congress)-এর হয়ে রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন। সংবাদমাধ্যম ও ব্যবসায়ও ছিল তাঁর উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি।দীর্ঘদিন ধরেই শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন তিনি। হুইলচেয়ার ছাড়া চলাফেরা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। ফলে সক্রিয় প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে কিছুটা দূরে থাকলেও, মোহনবাগান সমর্থকদের কাছে তিনিই ছিলেন ক্লাবের অভিভাবক।মাত্র গত বছরই মোহনবাগান দিবসে তাঁকে দেওয়া হয়েছিল ক্লাবের সর্বোচ্চ সম্মান মোহনবাগান রত্ন। উপস্থিত ছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি, বাইচুং ভুটিয়া, আই.এম. বিজয়ন, হোসে রামিরেজ ব্যারেটো-সহ বহু তারকা। সেই মঞ্চেই যেন শেষবারের মতো সবুজ-মেরুন পরিবার তাঁকে জানিয়েছিল শ্রদ্ধা।বর্ষীয়ান সবুজ-মেরুন সমর্থকদের কথায়, টুটু বসুর প্রয়াণে শুধু একজন প্রশাসকের মৃত্যু নয়, শেষ হল মোহনবাগানের এক গৌরবময় অধ্যায়। তাঁর বিদায়ে আজ শোকে স্তব্ধ গোটা ময়দান।

মে ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

১০ জনে খেলেও প্রথমবার আইএসএল লিগ-শিল্ড চাম্পিয়ান মোহনবাগান

ইতিহাস তৈরি করল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। আইএসএল প্রতিযোগিতার দশ বছরের ইতিহাসে মোহনবাগান এই প্রথম লিগ-শিল্ড জিতল মোহনবাগান। বাংলা নববর্ষের দিন বার পুজো করে দ্বিতীয় দিনেই সাফল্য। সোমবার কোলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ফুটবলের মহারণে মুম্বই সিটি এফসি-কে ২-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে দিল। মোহনবাগানের হয়ে গোল দুটি করেন লিস্টন কোলাসো এবং জেসন কামিংস।খেলার শেষ মুহুর্তে মুম্বই এফসির একমাত্র গোলটি করেন লালিয়ানজুয়ালা ছাংতের। ২০২৩ এ আইএসএলের ট্রফি মোহনবাগান জয়লাভ করলেও লিগ-শিল্ড কখনও জেতেনি তারা। আন্তোনিয়ো হাবাসের দলের অধরা স্বপ্নও পূরণ হয়ে গেল ২০২৪ এ। মোট ২২ টি ম্যাচ খেলে ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে লিগ-শিল্ড শেষ করল তারা। আইএসএল ট্রফি জিতে ডাবল করার সুযোগ এখন মোহনবাগানের সামনে।খেলার শুরু থেকেই বারবার আক্রমণে উঠে মোহনবাগান রক্ষণভাগকে বিব্রত করতে থাকে মুম্বাই এফসি। আক্রমনের চাপে বেশ কয়েকটি কর্নার আদায় করে নিয়েছে মুম্বাই। খেলার ১৭ মিনিটের মাথায় হলুদ কার্ড দেখেন শুভাশিস।LISTON COLACO SENDS THE CROWD CRAZY!!! 🔥🔥🔥Watch #ISL 2023-24 live on @JioCinema , @sports18 @vh1india 👉 https://t.co/lCKd3AbGTl#MBSG #JoyMohunBagan #আমরাসবুজমেরুন #ISL10 #LetsFootball #ISLonJioCinema pic.twitter.com/97oz51PuGo Mohun Bagan Super Giant (@mohunbagansg) April 15, 2024২৮ মিনিটে মোহনবাগানের হয়ে খেলার প্রথম গোলটি করেন লিস্টন কোলাসো। মুম্বই সিটির বিরুদ্ধে মোহনবাগান ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় হাবাসের দল। বক্সের বাঁদিকে বল পেয়েছিলেন কোলাসো। তাঁর সামনে ছিলেন মুম্বাইয়ের বিপিন সিংহ। বিপিনকে এক ঝটকায় ডানদিকে মচ্র দিয়ে বাঁদিক দিয়ে বল কাটিয়ে নিয়েই সোজা জালে জড়িয়ে দেন লিস্টন।খেলার প্রথম দিকেই গোল পেয়ে যাওয়ায়, যুবভারতীর মোহন সমর্থদের প্রবল হর্ষ ধ্বনিতে তখন কান পাতা দায়। সবুজ-মেরুনে সমর্থকে ভরা যুবভারতী তখন মোহনবাগানের ঘরের মাঠ। আনুমানিক ৪৬ হাজার ফুটবল প্রেমী এদিন যুবভারতী স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে হাজিত হয়েছেন। বলাবাহুল্য তাঁরা সকলেই ছিলেন মোহনবাগান সমর্থক।গোল খেয়ে পেছিয়ে গিয়েও হাল ছাড়েনি মুম্বাই এফসি। বারবার প্রতি আক্রমণে এসে বিব্রত করতে থাকে বাগানিদের। এই রকমই এক আক্রমণ থেকে গোল করার সুযোগ পেয়ে যায় তারা। গোলের সিজোগ নষ্ট করে মুম্বইয়ের ছাংতে। মুম্বাইয়ের পেরেদা দিয়াজ় বল ভাসিয়েছিলেন মোহনবাগানের বক্সে ছাংতের উদ্দেশে। কিন্তু সেই ছাংতে বলের আন্দাজ বুঝতে পারেননি। ছাংতে বলে ঠিক মতো পা লাগাতে না পারায় কোনও অঘটন ঘটেনি।খেলায় গতি আনতে মুম্বই এফ সি খেলোয়াড় বদল করে। তারা তিরিকে বসিয়ে সেই জায়গায় নামলেন ইয়াকুব ভজতাস।৬১ মিনিটে মোহনবাগান ও দু - দুটি বদল করে, সবুজ-মেরুন সাদিকু এবং কাউকোকে তুলে নেয়। তদের জায়গায় হাবাস নামান কামিন্স এবং হামিল-কে।CHECKMATE ♟️🃏Watch #ISL 2023-24 live on @JioCinema, @sports18 @vh1india 👉 https://t.co/lCKd3Ab93N#MBSG #JoyMohunBagan #আমরাসবুজমেরুন #ISL10 #LetsFootball #ISLonJioCinema pic.twitter.com/1XnEdAeicz Mohun Bagan Super Giant (@mohunbagansg) April 15, 2024গোলের ব্যবধান কম থাকায় দুদলই মাঝমাঠের দখল নেওয়ার চেষ্টায় মরীয়া হয়ে ওঠে। মুম্বাইয়ের আক্রমণের ঝাঁঝ প্রতিহত করতে খেলার গতিকে মন্থর করে দিতে হাবাসে মোহনবাগান নানা আছিলায় সময় নষ্টের চেষ্টা করছে। এক গোলে এগিয়ে থাকার সুবিধা নিতে তারা গতি মন্থরতার স্ট্রেটেজি নিয়েছে বলে বিশেষজ্ঞ মহলের ধারনা। এদিকে মুম্বাই ও খেলার ঝাঁজ বাড়াতে প্রতি আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করে গেছে বারবার। কিন্তু মোহনবাগানের জমাট রক্ষণে প্রতিহত হয়ে ফিরে এসেছে সেই সমস্ত আক্রমণ।দুই দলের দুজন হলুদ কার্ড দেখেন! মোহনবাগানের দীপক টাংরি এবং মুম্বইয়ের ভান নিফ। খেলার ৮০ মিনিটে আবার গোল মোহনবাগানের। বাগানের হয়ে গোল করলেন পরিবর্ত খেলোয়াড় জেসন কামিন্স। মুম্বইয়ের মাঝমাঠে বল পেয়েছিলেন পেত্রাতোস, তিনি বল বাড়ান কামিন্সকে লক্ষ্য করে। কাউন্টার অ্যাটাকে গিয়ে মুম্বইয়ের রক্ষণভাগ তখন অনেকটাই ওপরে উঠে এসেছে। কামিন্স বল ধরে তাড়াহুড়ো না করে, দেখে শুনে বল জালে জড়িয়ে দেন। মহোনবাগান এগিয়ে যায় ২-০ ব্যবধানে।খেলার নির্ধারিত সময় শেষ হবার ১ মিনিট আগে ৮৯ মিনিটে মুম্বই এফ সি ১ টি গোল শোধ করে। মুম্বাইয়ের হয়ে গোলটি করেন ছাংতে। কর্নার থেকে আসা বলে গোল করেন ছাংতে।

এপ্রিল ১৫, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

রবিবারের মহারণে মুখোমুখি দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী, "এই মাঠেই বদলা নেব" স্লোগানে মেতেছে মেরিনার্স

১৯ বছর আগে ২০০৪-এ শেষ বারের মত ডুরান্ডের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল কোলকাতার দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাব মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল। দুরন্ত ভাবে টুর্নামেন্টে ফিরে আসা ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান রবিবারের ফাইনালের মহারণে মুখোমুখি। গ্রুপ পর্বে লাল-হলুদের কাছে হারের জ্বালা মেটাতে মরীয়া মেরিনার্সের নতুন স্লোগান এই মাঠেই বদলা নেব। সারা মাঠে বাগান সমর্থকদের হাতে এই স্লোগান লেখা প্লাকার্ড কিন্তু লাল-হলুদ শিবিরে শিহরণ তুলে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। ফিনিক্স পাখির মতো জ্বলে ওঠা ইস্টবেঙ্গলের এখন রক্তের স্বাদ পাওয়া বাঘ। বহুদিনের ট্রফির ক্ষরা কাটাবার জন্য মরীয়া লাল-হলুদ শিবির ও।সল্টলেক স্টেডিয়ামে রবিবার আবার একটা ডার্বি ম্যাচ হতে যাচ্ছে। প্রথম সেমিফাইনালের ইস্টবেঙ্গলের ধারা বজায় রেখে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মোহনবাগানও পিছিয়ে পড়ে ম্যাচ জিতল। গোয়াকে ২-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে ডুরান্ডের ফাইনালে উঠল তারা। উল্লেখ্য, প্রথম সেমিফাইনালে পাহাড়ি দল নর্থইস্টকে ট্রাইবেকারে পরাজিত করে ইতিমধ্যে ফাইনালে উঠে গেছে ইস্টবেঙ্গল।প্রথমঅর্ধের খেলার ১০ মিনিট সেভাবে খুঁজে পাওয়া যায়নি সবুজ-মেরুন কে। শুরু থেকেই খেলায় আধিপত্য ছিল গোয়ার। মাঝমাঠ থেকে ছোট ছোট পাস খেলে আক্রমণে উঠছিল তারা। খেলার শুরুতেই দুবার ইস্টবেঙ্গলের বক্সে ঢুকে পরেও গোল করতে ব্যার্থ হয় গোয়া। বারংবার আক্রমনের ফলে বেসামাল হতে থাকে বাগান রক্ষণ। ফলও পেয়ে যায় গোয়া হাতেনাতে। প্রথমার্ধের ২২ মিনিটের মাথায় নোয়া সাদাউই করা গোলে এগিয়ে যায় তারা। বাগান খেলোয়াড় হুগো বুমোসের মিস পাস ধরে সামনে অরক্ষিত যায়গা পেয়ে টানা দৌড়ে দ্বিতীয় পোস্ট দিয়ে বল জালে পাঠান গোয়ার নোয়া সাদাউই। বাগানের দুই ডিফেন্ডার হেক্টর ইয়ুস্তে ও শুভাশিস বসু চোখে সেক্ষেত্রে দেখা ছাড়া কিছুই করার ছিল না।খেলার গতির বিরুদ্ধে ৪২ মিনিটে মাথায় ম্যাচে ফিরে আসে মোহনবাগান। গোয়ার একটি গোলমুখী আক্রমণ প্রতিহত করে প্রতি আক্রমণ থেকে সাহাল আব্দুল সামাদ ডান দিক থেকে বক্সে ঢোকার মুখে তাঁকে অবৈধভাবে বাঁধা দেন গোয়ার রক্ষণভাগের খেলোয়াড়। সামনেই ছিলেন রেফারি, পেনাল্টির সিদ্ধান্ত নিতে বিলম্ব করেননি। যদিও এই গোল নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়ে গেছে। টিভি রিপ্লেতে দেখে মনে হচ্ছিল গোয়ার ডিফেন্ডার বাশ দিয়েছেন বক্সের বাইরে। সেই একই দাবি গোয়ার ফুটবলারেরা ও অফিসিয়ালরা লাইন্সম্যান ও রেফারির কাছে করেন। কিন্তু রেফারি তাঁদের আবেদনে কর্নপাত করেননি। তিনি পেনাল্টির সিদ্ধান্তে অবিচল থাকেন। পেনাল্টি থেকে গোল করে কামিংস ম্যাচে সমতা ফেরান।দেখা হচ্ছে রবিবার! 💚️#MBSG #JoyMohunBagan #আমরাসবুজমেরুন pic.twitter.com/F223NUyGti Mohun Bagan Super Giant (@mohunbagansg) August 31, 2023মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো দ্বিতীয়ার্ধে তাঁদের দলে একটি পরিবর্তন করেন। বুমোসকে তুলে নিয়ে তিনি পরিবর্ত হিসাবে আর্মান্দো সাদিকুকে নামান। এতে বাগানেরর আক্রমণভাগ আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে। পরিবর্তনের সাথে সাথে ফল মেলে, খেলায় প্রবলভাবে ফিরে আসে সবুজ ব্রিগেড। ক্রমশ দানা বাঁধতে তাঁদের আক্রমণ। ম্যাচের ৬০ মিনিটের মাথায় এগিয়ে যায় বাগান। সন্দেশ জিঙ্ঘনের বক্সের বাইরে মিস পাস করে বসেন, বল পেয়ে যান পরিবর্ত খেলোয়াড় সাদিকু। বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জোরালো শটে জালে বল জড়িয়ে দেন।গোল খেয়ে আক্রমণের ঝাঁঝ ক্রমশ বাড়াতে থাকে গোয়া। গোলের সুযোগও তৈরি হলেও গোল করতে ব্যর্থ হয় গোয়া। ২-১ এগিয়ে থাকায় এগিয়ে যাওয়ায় ফেরান্দো কিছুটা রক্ষণাত্মক স্টেটেজিতে চলে যান। তিনি ব্রেন্ডন হামিলকে পরিবর্ত হিসাবে নামিয়ে রক্ষণভাগকে আরও আঁটসাঁটও করে দেন। গোয়া যেমন মরিয়া হয়ে গোল শোধ করে অতিরিক্ত সময়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য মরিয়া চেষ্টা করছিল, বাগান তখন চিনের প্রাচীরের মত বজ্র আঁটুনি দিয়ে প্রতিহত করছিলো গোয়ার আক্রমণ। ইস্টবেঙ্গলের সমর্থকদের আশা, দীর্ঘদিনের ট্রফির ক্ষরা, গ্রুপ পর্বে জয়লাভ সব কিছু মাথায় রেখেও ইতিহাস কিন্তু ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ নিচ্ছে না। এর আগে কোলকাতার এই দুই প্রধান একই গ্রুপে খুব কমবারই ছিল। ১৯৯৩ এ দার্জিলিং গোল্ড কাপে একই গ্রুপে ছিল ইস্টবেঙ্গল আর মোহনবাগান। গ্রুপের খেলায় ইস্টবেঙ্গল ২-১ পরাজিত করে বাগানকে। ফাইনালে বদলা নেয় মোহনবাগান। ট্রাইব্রেকারে ম্যাচ জিতে নেয় ট্রফি ঘরে তোলে মোহনবাগান। ২০২৩ সালেও তাঁরা একই গ্রুপে! ১৯৩৩-র পুনরাবৃত্তি? না নতুন করে ইতিহাস রচনা? তাকিয়ে আছে খেলাপাগোল বাঙ্গালী।

আগস্ট ৩১, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

এক ডার্বি হেরেই ছন্দপতন! কলকাতা লিগে বড় ধাক্কা মোহনবাগানের

ডার্বির শোক এখনপ কাটিয়ে উঠতে পারেনি মোহনবাগান। এবার লজ্জার হার হল জাতীয় ক্লাব মোহনবাগানের। রবিবাসরীয় ম্যাচে সাদার্ন সমিতির কাছে ২-০ গোলে হারল সবুজ-মেরুন। কলকাতা লিগে বেশ বড় ধরনের ধাক্কা খেল শতাব্দী প্রাচীন মোহনবাগান। রবিবার জোড়া গোল করে দলকে জেতালেন সৌগত হাঁসদা। কলকাতা লিগে চাপের মুখে পড়ল সবুজ মেরুন ব্রিগেড।এদিন বড় ব্যবধানে জিততে চেয়েছিলেন মোহনবাগানের কোচ বাস্তব রায়। তাতে সুপার সিক্সে জায়গা করে নিত দল। সেই আশায় জল ঢেলে দিল সাদার্ন সমিতি। এদিন প্রথমার্ধেই জোড়া গোল করেন সাদার্নের সৌগত। তারপর শত চেষ্টা করেও বিপক্ষের জালে বল গড়াতে পারেনি মোহনবাগান৷ আর ম্যাচেও ফেরা হয়নি। ম্যাচে বারবার আক্রমণ শানিয়েছে, গোলের সুযোগ তৈরি করেও ব্যর্থ হয়েছে বাগানের স্ট্রাইকাররা। প্রসঙ্গত, চলতি মরশুমের কলকাতা লিগে মোহনবাগান ছিল অপরাজেয়। এক ডার্বি হেরেই কি ছন্দপতন মোহনবাগানের? এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে ময়দানে।

আগস্ট ২০, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

৪ বছর বাদ ডার্বি জয় ইস্টবেঙ্গলের, মোহনবাগানের বিশ্বকাপার কোনও কাজে এল না

ইস্টবেঙ্গল: ১ (নন্দকুমার) মোহনবাগান: ০East Bengal vs Mohun Bagan match: দ্বিতীয়ার্ধের ৬০ মিনিট। তছনছ হয়ে গেল মোহনবাগান ডিফেন্স। নন্দকুমারের শট জাল কাঁপিয়ে দিল সবুজ মেরুনের। ওই এক গোলের ব্যবধান আর কমানো গেল না। যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে জ্বলল লাল হলুদ মশাল। ৪ বছর পর ডার্বি জয় পেল ইস্টবেঙ্গল।বহু প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে স্কটিশ-অজি বিশ্বকাপারের পা পড়ল ডার্বির মেগা মঞ্চে। জ্বলে উঠল গ্যালারি। কিন্তু নিমিষেই তা উধাও হয়ে গেল নন্দকুমারের গোলে। মোহনবাগান গ্যালারিতে তখন শ্মশানের নিরবতা।ভারতীয় ফুটবলে উইঙ্গাররাও যে অনায়াসে খেলার ভাগ্য ঘুরিয়ে দিতে পারে তা শনিবার যুব ভরতীর ডার্বিতে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন নন্দকুমার। বোরহার থেকে বল রিসিভ করে যেভাবে নন্দকুমার চলতি ডুরান্ডের অন্যতম দর্শনীয় গোল করলেনন। তাও আবার ট্রান্সফার মার্কেটে ঝড় তোলা অনিরুদ্ধ থাপাকে মাটি ধরিয়ে। এবার আলোচনায় নন্দকুমার। শেষবার যুব ভারতী লাল-হলুদ আবির ভেসেছিল আইলিগে। আইএসএল জমানায় এবারই প্ৰথম।ম্যাচের আগেই লাল হলুদ বস কার্লেস কুয়াদ্রাত স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, মোহনবাগানকে বধ করতেই মাঠে নামবে ইস্টবেঙ্গল। তা যে কেবল কথার কথা ছিল তা নয়। স্প্যানিয়ার্ড তা বুঝিয়ে দিলেন। এবার আইএসএল-এ খাতায় কলমে সর্বশ্রেষ্ঠ স্কোয়াড গড়েছে নাকি মোহনবাগান। এত শক্তিশালী স্কোয়াডের মালিক হয়েও ফার্নান্দোর ফ্লুইড পাসিং ফুটবল বন্ধ করে দিলেন কুয়াদ্রাত। স্রেফ দুটো প্ল্যানিংয়ে। লিস্টন কোলাসোকে সেভাবে নড়তে পারলেন না মাঝমাঠ থেকে সেভাবে বলের সাপ্লাই না পেয়ে। কোলাসোকে একেবারে বোতলবন্দি করলেন খাবরা। জেভিয়ের সিভেরিও, নন্দকুমার, মহেশরা টানা মোহনবাগান রক্ষণের উপর চাপ বাড়িয়ে গেলেন। শুভাশিস, হ্যামিল, আনোয়াররা টানা সেই চাপ ধরে রাখতে পারলেন না।ম্যাচের শুরুতে অবশ্য সাদিকু বেশ চনমনে ফুটবল উপহার দিচ্ছিলেন। ভয় ধরাচ্ছিলেন ইস্টবেঙ্গল রক্ষণে। মাঝমাঠের দখল নিয়ে ইস্টবেঙ্গল খেলায় আধিপত্য কায়েম করে।ম্যাচের প্ৰথম পর্ব বাদ দিলে ডার্বি বেশিক্ষণ ধরেই ঘুম পাড়িয়ে দিল। কুশলী কুয়াদ্রাত ম্যাচ বেঁধে রাখতে চেয়েছিলেন মিডফিল্ডেই। জানতেন, লিস্টন, মনবীরদের কাছে বলের সাপ্লাই কমে গেলেই ভুলের বহর বাড়বে বাগানে। ঠিক সেটাই হল। খেলার শেষ দশ মিনিট যুবভারতীতে মুষলধারে বৃষ্টি।ইস্টবেঙ্গল প্ৰথম একাদশ: প্রভসুখন গিল, নুঙ্গা, খাবরা, নন্দকুমার, মন্দার রাও দেশাই, সাউল ক্রেসপো, বোরহা হেরেরা, সৌভিক চক্রবর্তী, নাওরেম মহেশ, জর্ডন এলসে, জেভিয়ের সিভেরিওমোহনবাগান প্রথম একাদশ: বিশাল কাইথ, ব্রেন্ডন হ্যামিল, আনোয়ার আলি, শুভাশিস বোস, আশিস রাই, গ্লেন মার্টিন্স, হুগো বুমোস, অনিরুদ্ধ থাপা, আর্মান্দো সাদিকু, মনবীর সিং, লিস্টন কোলাসো

আগস্ট ১২, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

ভরসা দিতে পারবেন?‌ বাগানে খেলতে এলেন অস্ট্রেলিয়ার পেত্রাতোস

এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো এমন একজন ফুটবলারকে চাইছিলেন, যিনি স্ট্রাইকারের পাশাপাশি অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারের পজিশনেও খেলতে পারেন। অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় দলের হয়ে এবং ক্লাব ফুটবলে স্ট্রাইকার ও অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার হিসেবে খেলেছেন দিমিত্রি পেত্রাতোস। এবার সবুজমেরুণের আক্রমণভাগকে ভরসা দিতে মঙ্গলবার কলকাতা চলে এলেন এই অসি ফুটবলার। এটিকে মোহনবাগান যে স্ট্রাইকার সমস্যাতে ভুগছে, ডুরান্ড কাপেই তার প্রমাণ পাওয়া গেছে। পজিটিভ স্ট্রাইকার বলতে যা বোঝায়, সেই অর্থে তেমন ফুটবলার এই মুহূর্তে এটিকে মোহনবাগানে তেমন নেই। লিস্টন কোলাসে, আশিক কুরুনিয়ান, হুগো বোমাসরা পজিটিভ স্ট্রাইকার নন। মনবীর সিং, কিয়ান নাসিরিদের একার দক্ষতার ম্যাচ জেতানোর ক্ষমতা নেই। এখন দেখার এদের সঙ্গে যোগ দিয়ে দলকে সাফল্য এনে দিতে পারেন কিনা দিমিত্রি পেত্রাতোস।পেত্রাতোসকে স্বাগত জানাতে মঙ্গলবার সকালে কলকাতা বিমানবন্দরে হাজির ছিলেন এটিকে মোহনবাগানের কর্তারা। কয়েকশ সবুজমেরুণ সমর্থকও হাজির ছিলেন। এই অসি ফুটবলার বিমানবন্দর থেকে বার হতেই সমর্থকরা জয় মোহনবাগান স্লোগান দেন। তাদের সঙ্গে পেত্রাতোসের মুখেও শোনা যায়, জয় মোহনবাগান। বিমানবন্দরে নেমেই সংবাদমাধ্যমকে পেত্রাতোস জানান, এএফসি কাপ জয়ের লক্ষ্য নিয়েই তিনি এটিকে মোহনবাগানে খেলতে এসেছেন।দেশের হয়ে রাইট উইঙ্গারেও খেলেছেন দিমিত্রি পেত্রাতোস। প্রয়োজনে জুয়ান ফেরান্দো পেত্রাতোসকে উইঙ্গারেও ব্যবহার করতে পারেন। এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের পর পেত্রাতোস বলেছিলেন, বিভিন্ন পজিশনে খেলতে পারি, সেটা কোচ জানেন। কোচই ঠিক করবেন আমাকে কোন পজিশনে খেলাবেন। এখানে আমাকে কোন জায়গায় খেলতে হবে, তা ঠিক করবেন কোচ। যে কোনও ফুটবলারের কাছে গোল করাটা বড় ব্যাপার। কোচ যদি আমাকে সেই দায়িত্ব দেন, আপ্রান চেষ্টা করব দায়িত্ব পালন করার। গোল করতেই হবে, এটা ভেবে আমি কখনও মাঠে নামি না। মাঠে নেমে খেলা উপভোগ করাটাই লক্ষ্য থাকে। দলের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াটাই প্রথম কাজ। ব্রেন্ডন হ্যামিলও দলে রয়েছে। আশা করছি দ্রুত মানিয়ে নিতে পারব। ৬ বছর আগে দুরন্ত ফ্রিকিকে গোল করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন পেত্রাতোস। অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ফুটবলে ওই রকম গোল নাকি আর কেউ করতে পারেননি।

আগস্ট ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডুরান্ডের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে পারবে?‌ জটিল অঙ্কের সামনে এটিকে মোহনবাগান

কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার স্বপ্ন আদৌও পূরণ হবে কিনা, এটিকে মোহনবাগানকে নিয়ে উঠে গিয়েছিল প্রশ্ন। ইমামি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে না জিতলে কার্যত ডুরান্ড থেকে বিদায় হয়ে যেত সবুজমেরুণ শিবিরের। ডার্বি জয় কিছুটা হলেও অক্সিজেন দিয়ে গেছে জুয়ান ফেরান্দোর দলকে। ডার্বি জিতলেও এখন শেষ আটে যাওয়া চূড়ান্ত নয় এটিকে মোহনবাগানের। সামনে রয়েছে নানা জটিল অঙ্ক।এই মুহূর্তে ৩ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ বির লিগ টেবিলে তৃতীয় স্থানে রয়েছে এটিকে মোহনবাগান। সোমবার রাজস্থান ইউনাইটেডকে ৫১ ব্যবধানে উড়িয়ে গ্রুপের প্রথম দল হিসেবে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেছে মুম্বই সিটি এফসি। ৩ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৭। গ্রুপে তিনটি দলের সামনে এখনও ৭ পয়েন্টে পৌঁছনো সম্ভব। এই তিনটি দল হল এটিকে মোহনবাগান, রাজস্থান ইউনাইটেড ও ইন্ডিয়ান নেভির। তিন দলেরই পয়েন্ট এই মুহূর্তে ৪ করে। গোল পার্থক্যে অবশ্য বাকি দুই দলের থেকে এগিয়ে রয়েছে এটিকে মোহনবাগান। গ্রুপের অন্য দল ইমামি ইস্টবেঙ্গলের ৩ ম্যাচে পয়েন্ট ২। তারা রয়েছে পঞ্চম স্থানে। চারটি দলেরই একটি করে ম্যাচ বাকি। বুধবার এটিকে মোহনবাগান খেলবে ভারতীয় নৌ সেনা দলের বিরুদ্ধে। মুম্বই সিটি এফসির খেলা বাকি ইমামি ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে। অন্যদিকে রাজস্থান ইউনাইটেড শেষ ম্যাচে খেলবে ভারতীয় নৌ সেনার বিরুদ্ধে। এটিকে মোহনবাগান যদি বুধবার ভারতীয় নৌ সেনার বিরুদ্ধে জেতে, তাহলে ৭ পয়েন্টে শেষ করবে। রাজস্থান ইউনাইটেড যদি নিজেদের শেষ ম্যাচে ভারতীয় নৌ সেনাকে হারায়, তাহলে তারাও ৭ পয়েন্টে শেষ করবে। দুই দলের পয়েন্ট সমান হলে তখন ডুরান্ড কাপের নিয়ম অনুযায়ী মুখোমুখি লড়াইয়ের ফল দেখা হবে। রাজস্থান ইউনাইটেডের কাছে হেরেছিল জুয়ান ফেরান্দোর দল। ফলে বুধবার ভারতীয় নৌ সেনার বিরুদ্ধে জিতলেই হবে না, রাজস্থান ইউনাইটেডভারতীয় নৌ সেনা দলের ম্যাচের ফলের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে এটিকে মোহনবাগানকে। বুধবার ভারতীয় নৌ বাহিনীর সঙ্গে ড্র করলেও কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার সুযোগ থাকবে জুয়ান ফেরান্দোর দলের সামনে। সেক্ষেত্রে শেষ ম্যাচে ভারতীয় নৌ বাহিনীর কাছে হারতে হবে রাজস্থান ইউনাইটেডকে। এটিকে মোহবাগান ও ভারতীয় নৌ বাহিনীর পয়েন্ট সমান সমান হয়ে যাবে। তখন গোলপার্থক্য দেখা হবে। আর ভারতীয় নৌ বাহিনীর কাছে হারলে শেষ আটের স্বপ্ন শেষ হয়ে যাবে জুয়ান ফেরান্দোর দলের সামনে।

আগস্ট ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মুম্বইয়ের কাছে আটকে গিয়ে চাপ বাড়ল এটিকে মোহনবাগানের

২৮ আগস্ট ডুরান্ত কাপের ডার্বি। তার আগে চূড়ান্ত অস্বস্তিতে এটিকে মোহনবাগান। প্রথম ম্যাচে রাজস্থান ইউনাইটেড এফসির কাছে হার। মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে জয়ের আশায় রীতিমতো শক্তিশালী দল নামিয়েছিলেন বাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। তাতেই হাল ফিরল না এটিকে মোহনবাগানের। দ্বিতীয় ম্যাচে জয় অধরা। মুম্বই এফসির সঙ্গে ড্র করে চাপে পড়ে গেল সবুজমেরুণ। ম্যাচের ফল ১১। ২৮ আগস্ট ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে জিততে না পারলে ডুরান্ত থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে যাবে জুয়ান ফেরান্দোর দলের। গত মরশুমে আইএসএলে সবুজমেরুণের সবচেয়ে ধারাবাহিক ছিলেন লিস্টন কোলাসো। রাজস্থান ইউনাইটেডের বিরুদ্ধেও পুরনো ছন্দে ছিলেন। একাধিক গোলের সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেননি। এদিনও শুরু থেকেই দারুণ দাপট দেখান কোলাসো। উইং দিয়ে বারবার ভেতরে ঢুকে ব্যতিব্যস্ত রাখছিলেন মুম্বই সিটি এফসি ডিফেন্সকে। রাজস্থান ম্যাচের ভুলের প্রায়াশ্চিত্য করেন লিস্টন। মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে শুরু থেকেই প্রাধান্য ছিল এটিকে মোহনবাগানের। ২ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত সবুজমেরুণ। বক্সের মাথা থেকে নেওয়া লিস্টন কোলাসোর শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। মিনিট দশেক পরে আরও একটা সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু শট নিতে দেরী করায় গোল পাননি। ৩৯ মিনিটে এগিয়ে যায় এটিকে মোহনবাগান। আশিস রাই গোললাইনে পৌঁছে সেন্টার করেন। মুম্বই সিটি গোলকিপার ফুরবা লাচেনপা বল বিপন্মুক্ত করতে যান। তাঁর হাতে লেগে বল চলে যায় লিস্টন কোলাসোর কাছে। ডানপায়ের জোরালো শটে দলকে এগিয়ে দেন লিস্টন। প্রথমার্ধেই সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল মুম্বই সিটি এফসি। কিন্তু গ্রেগ স্টিওয়ার্টের পাস থেকে বিপিন সিং-এর শট বাঁচিয়ে দেন এটিকেএমবির গোলরক্ষক বিশাল কাইথ।৬৫ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। কিয়ান নাসিরির পাস থেকে মনবীর সিং শট নেওয়ার আগে গ্রিফিটের চ্যালেঞ্জ কোনও বিপদ তৈরি হয়ে দেয়নি মুম্বইয়ের জন্য। ৭৭ মিনিটের মাথায় মুম্বই সিটি এফসির হয়ে ম্যাচে সমতায় ফেরান জর্জে পেরেইরা ডিয়াজ। সঞ্জীব স্ট্যালিনের পাস থেকে হেডে মুম্বইকে সমতায় ফিরিয়ে আনেন তিনি। ম্যাচের একে বারে শেষ মুহূর্তে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল এটিকে মোহনবাগান কিন্তু শেষ মুহূর্তের শটটি লক্ষ্যে ছিল না। এই ম্যাচে ড্র-এর ফলে দুই ম্যাচে এটিকে মোহনবাগানের পয়েন্ট দাঁড়াল ১ এবং চার দলের গ্রুপে তারা রয়েছে তৃতীয় স্থানে।

আগস্ট ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

চারজন অধিনায়ক এটিকে মোহনবাগানে!‌ শনিবার নামছে ডুরান্ড অভিযানে

শনিবার ডুরান্ড কাপ অভিযানে নামছে এটিকে মোহনবাগান। যুবভারতীতে তাদের প্রতিপক্ষ রাজস্থান ইউনাইটেড। ডুরান্ড কাপ অভিযানে নামার আগে ২৭ জনের দল ঘোষণা করেছেন সবুজমেরুণ কোচ জুয়ান ফেরান্দো। পাশাপাশি এই মরয়শুমের জন্য চারজন অধিনায়ককে বেছে নিয়েছেন তিনি। চারজন অধিনায়ক হলেন প্রীতম কোটাল, শুভাশিস বসু, জনি কাউকো ও ফ্লোরেন্তিন পোগবা। গোটা মরশুম জুড়ে এই চার ফুটবলার এটিকে মোহনবাগানকে নেতৃত্ব দেবেন।ডুরান্ড কাপে এটিকে মোহনবাগানের প্রথম প্রতিপক্ষ রাজস্থান ইউনাইটেড তেমন শক্তিশালী নয়। তাসত্ত্বেও প্রতিপক্ষকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন বাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। আসলে মরশুমের প্রথম ম্যাচ। তাই সতর্কভাবে এগোতে চান ফেরান্দো। রাজস্থান ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে সবুজমেরুণ কোচ বলেন, ডুরান্ড কাপ প্রাচীন ও ঐতিহ্যশালী প্রতিযোগিতা। শনিবার প্রতিযোগিতায় আমাদের প্রথম ম্যাচ। রাজস্থান ইউনাইটেডের বেশ কয়েকটি ম্যাচ দেখেছি। আই লিগের ক্লাব হলেও দলটা ভাল। যে কোনও প্রতিযোগিতার প্রথম ম্যাচ কঠিন হয়। এই ম্যাচ আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সতর্কভাবে শুরু করতে হবে। আই লিগে নিজেদের প্রথম মরশুমে দারুণ পারফরমেন্স করেছিল রাজস্থান ইউনাইটেড। তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে দলটা তৈরি। যথেষ্ট গতি আছে। তাই বিপক্ষকে সমীহ করছেন সবুজমেরুণ কোচ।তাঁর দল কঠিন গ্রুপে রয়েছে বলে মনে করছেন জুয়ান ফেরান্দো। সবুজমেরুণ কোচের কথায়, আমরা যথেষ্ট কঠিন গ্রুপে পড়েছি। পরের পর্বে যেতে অন্তত সাতআট পয়েন্ট দরকার। তবে প্রত্যেক ম্যাচে জেতার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামব। ডার্বি নিয়ে এখন থেকে ভাবছি না। ম্যাচ ধরে ধরে এগোতে চাই। বিদেশি ছাড়াও বেশ কয়েকজন নতুন ফুটবলার দলে সই করেছে। সব বিদেশিই ফিট। কোন চারজনকে খেলাব, ম্যাচের দিন সকালে ঠিক করব।ডুরান্ড কাপের জন্য ২৭ সদস্যের যে দল এটিকে মোহনবাগান ঘোষণা করেছেন, তাতে রয়েছেনঃগোলরক্ষকঃ বিশাল কাইথ, অর্শ আনোয়ার, অভিলাস পাল, দেবনাথ মণ্ডল।ডিফেন্ডারঃ ফ্লোরেন্তিন পোগবা, ব্রেন্ডন হ্যামিল, প্রীতম কোটাল, শুভাশিস বসু, আশিস রাই, দীপক টাংরি, সুমিত রাঠি,রভী রানা।মিডফিল্ডারঃ জনি কাউকো, কার্ল ম্যাকহিউ, হুগো বুমোস, প্রণয় হালদার, লেনি রড্রিগেজ, লালরিনলিনা হামতে, অভিষেক সূর্যবংশী, রিকি সাবং, এনসন সিং।ফরোয়ার্ডঃ লিস্টন কোলাসো, দিমিত্রিচ পেত্রাতোস, মনবীর সিং, আশিক কুরুনিয়ান, কিয়ান নাসিরি গিরি, ফারদিন আলি মোল্লা।

আগস্ট ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মোহনবাগান দিবসে ডার্বি নিয়ে ইস্টবেঙ্গলকে খোঁচা দিলেন দেবাশিস দত্ত!

ইমামির সঙ্গে এখনও চুক্তিপত্রে সরকারিভাবে সই হয়নি ইস্টবেঙ্গলের। সামনের মরশুমের জন্য দলগঠন প্রক্রিয়াও মাঝপথে। সামনের সপ্তাহে অনুশীলন শুরু হওয়ার কথা। ডুরান্ড কাপের আগে দল কতটা গুছিয়ে নিতে পারবেন, সন্দিহান ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। তাই আবেদন জানিয়েছিলেন ডুরান্ড কাপের ডার্বি পিছিয়ে দেওয়ার জন্য। লালহলুদের আর্জি মেনে ডার্বির দিনও পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। ১৬ আগস্টের পরিবর্তে ২৮ আগস্ট ইস্টবেঙ্গলমোহনবাগান ম্যাচ আয়োজিত হতে পারে। ডার্বি পিছিয়ে যাওয়ায় ইস্টবেঙ্গলকে খোঁচা দিলেন মোহনবাগান সচিব দেবাশিস দত্ত।শুক্রবার ছিল মোহনবাগান দিবস। ২ বছর পর সবুজমেরুণ তাঁবুতে ফিরল সেই চেনা পরিবেশ। ক্লাব কর্তা, সদস্যসমর্থকদের ভিড়ে দুপুর থেকেই তাঁবু রীতিমতো সরগরম। এর মাঝেই ইস্টবেঙ্গলকে খোঁচা দিলেন মোহনবাগান সচিব। এদিন দেবাশিস দত্ত বলেন, দেড় মাস আগে ডুরান্ড কাপ নিয়ে ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের উপস্থিতিতে বৈঠক হয়েছিল। সেই বৈঠকে ক্রীড়ামন্ত্রী বলেছিলেন ১৬ আগস্ট খেলা হবে দিবস। ওই দিন ডুরান্ড কাপের উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি হাজির থাকবেন। ইস্টবেঙ্গলমোহনবাগান ম্যাচ দিয়ে ডুরান্ড কাপের উদ্বোধন হলে ভাল হয়। আমাদের সমস্যা থাকলেও সেদিন আপত্তি জানাইনি। ইস্টবেঙ্গলও আপত্তি জানায়নি। ডুরান্ডের আয়োজক সেনাবাহিনীর কর্তারাও রাজি ছিলেন। এখন শুনছি ইস্টবেঙ্গল নাকি ডার্বি ম্যাচ দিয়ে ডুরান্ড কাপ শুরু করতে চাইছে না। ওদের এখনও দল গঠন হয়নি বলে দেরি করে ডুরান্ডে নামতে চাইছে। আমরা প্রস্তাব দিয়েছিলাম ডুরান্ড কাপ পিছিয়ে দেওয়া হলেও ডার্বি ম্যাচ দিয়ে উদ্বোধন হোক। কিন্তু ইস্টবেঙ্গল প্রথম ম্যাচে আমাদের বিরুদ্ধে খেলতে চাইছে না। এ তো পালিয়ে যাওয়ার সামিল।২২ আগস্ট ইস্টবেঙ্গল ডুরান্ড কাপে মাঠে নামতে চাইছে। মোহনবাগানের প্রথম ম্যাচ ২০ আগস্ট। মোটামুটিভাবে ঠিক হয়েছে ২৮ আগস্ট ডার্বি ম্যাচ হবে। ডুরান্ড কাপ পিছিয়ে দেওয়াটা ভালভাবে নিচ্ছেন না সবুজমেরুণ কর্তারা। মোহনবাগান সচিব বলেন, ডার্বি ম্যাচ দিয়ে ডুরান্ড অভিযানে নামব বলে আমরা অনুশীলন শুরু করে দিয়েছি। কোচ এসে গেছেন। বিদেশি ফুটবলাররাও কয়েকদিনের মধ্যে এসে যাবে। আর এখন কিনা ইস্টবেঙ্গল বলছে ডুরান্ড কাপ পিছিয়ে দিতে। একটা ক্লাবে বছর বছর লগ্নিকারী সংস্থা বদলাবে। সেইজন্য প্রতিযোগিতার সূচি বদলাবে। এটা হতে পারে না।

জুলাই ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কৃষ্ণার পরিবর্ত হিসেবে রাশিয়া বিশ্বকাপ খেলা ফুটবলারকে নিল এটিকে মোহনবাগান

রবিবারই রয় কৃষ্ণার বেঙ্গালুরু এফসির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার কথা প্রকাশ্যে এসেছে। তার ২৮ ঘন্টার মধ্যেই রয় কৃষ্ণার বিকল্প খঁুজে নিল এটিকে মোহনবাগান। রাশিয়া বিশ্বকাপে খেলা ফুটবলারকে সই করিয়ে চমক বাগান কর্তাদের। সামনের মরশুমে সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে খেলতে দেখা যাবে ২০১৮ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলা স্ট্রাইকার দিমিত্রি পেত্রাতোসকে সই করাল এটিকে মোহনবাগান।রয় কৃষ্ণ ও ডেভিড উইলিয়ামস এই মরসুমে দল ছেড়েছেন। এই দুজন দল ছাড়ায় একজন ভালমানের স্ট্রাইকারের খোঁজে ছিলেন বাগান কর্তারা। যিনি আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার হিসেবেও খেলতে পারেন। দিমিত্রি পেত্রাতোসকে দিয়ে কাজ সিদ্ধ করতে পারবেন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। এই অস্ট্রেলিয়ার আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার ছাড়া ফরোয়ার্ডেও খেলতে পারদর্শী। সৌদি আরবের ক্লাব আল ওয়েদা থেকে দিমিত্রি পেত্রাতোসকে সই করাল এটিকে মোহনবাগান। যদিও গত মরসুমে তিনি আল ওয়েদার জার্সিতে খেলেননি। আল ওয়েদা থেকে তিনি লোনে এ লিগের ক্লাব ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সে খেলেছিলেন।২০১০-১১ মরসুমে সিডনি ফুটবল ক্লাবের হয়ে পেশাদার ফুটবলজীবন শুরু করেন দিমিত্রি। এরপর যোগ দেন মালয়েশিয়ার ক্লাব কেলান্তানে। ২০১২১৩ মরশুম কেলান্তানের হয়ে খেলার পর এ লিগের দল ব্রিসবেন রোয়ার তাঁকে সই করায়। ২০১৩ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত ব্রিসবেনের হয়েই খেলেন দিমিত্রি। ২০১৭ সালে কোরিয়া লিগের দল উলসান হুন্ডাই সই করায় তাঁকে। ৬ মাস খেলে ওই বছরই দিমিত্রি যোগ দেন নিউক্যাসেল জেটসে। ২০১৭ থেকে ২০২০ পর্যন্ত নিউক্যাসেল জেটসে খেলার পর তিনি সৌদি আরবের ক্লাব আল ওয়েদায় সই করেন। সেখান থেকেই গত বছর লোনে খেলেন ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সে। সিডনি থেকে এবার তিনি এটিকে মোহনবাগানে।He comes from Australia, hes played in Korea and Saudi Arabia! 🤩Mariners, give a warm welcome to Dimitrios Petratos, our new number 9! 💚️#ATKMohunBagan #JoyMohunBagan #AmraSobujMaroon pic.twitter.com/WBuLoc00Rh ATK Mohun Bagan FC (@atkmohunbaganfc) July 18, 2022অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে সিনিয়র দলে তাঁর অভিষেক হয় ২০১৮ সালে। এখনও পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তিনটি ম্যাচ তিনি খেলেছেন। রাশিয়া বিশ্বকাপে ২৩ জনের দলে থাকলেও প্রথম একাদশে সুযোগ পাননি। তাঁর বাবা অ্যাঞ্জেলো খেলেছেন সিডনি অলিম্পিক্স এফসির হয়ে। ইতিমধ্যেই নতুন মরসুমের জন্য পাঁচ বিদেশি নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে এটিকে মোহনবাগানে। ষষ্ঠ বিদেশি হিসেবে এলেন দিমিত্রি। নিজের দীর্ঘ ফুটবল কেরিয়ারে ক্লাবের জার্সিতে হোক কিংবা দেশের হয়ে স্ট্রাইকার, অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার বা উইঙ্গার বিভিন্ন পজিশনে খেলেছেন তিনি।

জুলাই ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কলকাতা ছেড়ে এবার বেঙ্গালুরু পাড়ি দিচ্ছেন বাগানের এই তারকা স্ট্রাইকার

মরশুম শেষেই এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন। মাঝে শোনা গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গলে যোগ দিতে পারেন। অনেকেই মনে করেছিলেন হয়তো অস্ট্রেলিয়ার পুরনো ক্লাবেই ফিরে যাবেন রয় কৃষ্ণা। সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে এদেশেই থেকে যাচ্ছেন ফিজির এই তারকা ফুটবলার। তবে কলকাতায় নয়, রয় কৃষ্ণাকে সামনের মরশুমে দেখা যেতে পারে বেঙ্গালুরু এফসির জার্সি গায়ে।২০১৯ সালে অস্ট্রেলিয়ার এ লিগের দল ওয়েলিংটন ফিনিক্স থেকে ভারতীয় ফুটবলে আগমন ঘটেছিল রয় কৃষ্ণার। তিনি যোগ দিয়েছিলেন এটিকেতে। সেই মরশুমে দলকে আইএসএলে চ্যাম্পিয়ন করতে তিনি মুখ্য ভুমিকা নেন। এরপর মোহনবাগানের সঙ্গে এটিকের সংযুক্তি ঘটে। সবুজমেরুণেই থেকে যান রয় কৃষ্ণা। গত দুই মরশুম এটিকে মোহনবাগানে কাটানোর পর তিনি সবুজমেরুণের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন।আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসের সঙ্গে দারুণ সম্পর্ক ছিল রয় কৃষ্ণার। জুয়ান ফেরান্দো এটিকে মোহনবাগানের দায়িত্ব নেওয়ার পর চিত্রনাট্যে বদল ঘটে। রয় কৃষ্ণার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হতে থাকে কোচের। আইএসএলের একাধিক ম্যাচে রিজার্ভ বেঞ্চে বসতে হয়েছিল ফিজির এই তারকা ফুটবলারকে। দলের কর্তারাও ওই বিষয়ে রয় কৃষ্ণার পাশে দাঁড়াননি। তাই একরাশ অভিমান নিয়েই এটিকে মোহনবাগানেরস সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন রয় কৃষ্ণা।গত মরশুমে রয় কৃষ্ণর পারফরম্যান্স আহামরি কিছু ছিল না। যদিও বারবার রয় নিজের সেরা পারফরম্যান্স তুলে ধরে দলকে টেনে গিয়েছেন। তিনি মানেই ছিল বাগানের তারকার তারকা, গোলের জন্য সমর্থকরা তাঁর দিকে চেয়ে থাকতেন।আইএসএল কেরিয়ারে ৬০ ম্যাচে ৩৬ গোল করেছেন রয়। ১৮টি গোলের পাসও দিয়েছেন তিনি। গত কয়েক মরশুম ধরে খুব একটা ভাল ছন্দে নেই বেঙ্গালুরু এফসি। এ বার ট্রফি জয়ের লক্ষ্যে অভিজ্ঞ প্লেয়ারদের দলে নিয়ে বাজিমাত করতে চাইছে তারা। সেই লক্ষ্যেই টিম গড়ছে বেঙ্গালুরু।সুনীল ছেত্রি তো রয়েছেনই, প্রবীর দাস যোগ দিয়েছেন। এছাড়া জাভি হার্নান্ডেজকে সই করিয়েছে বেঙ্গালুরু এফসি।

জুলাই ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লালহলুদ অন্তঃপ্রান শ্যাম থাপাকে মোহনবাগানরত্ন!‌

লালহলুদের ঘরের ছেলে বলে পরিচিত ছিলেন শ্যাম থাপা। খেলা ছাড়ার পরও মোহনবাগানের থেকে ইস্টবেঙ্গলের প্রতি তাঁর আবেগ বেশি। সেই লালহলুদপ্রেমী শ্যাম থাপাকে কিনা এবছর মোহনবাগানরত্ন দেওয়া হচ্ছে! হ্যাঁ, এটাই বাস্তব। এবছর মোহনবাগান রত্ন পেতে চলেছেন শ্যাম থাপা। ২৯ জুলাই মোহনবাগান দিবসে তাঁর হাসে এই সম্মান তুলে দেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার মোহনবাগানের কার্যকরী কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।১৯৬৬ সালে কলকাতা ময়দানে পেশাদার ফুটবলে আবির্ভাব ঘটে শ্যাম থাপার। সুব্রত কাপে দুর্দান্ত ফুটবল খেলা শ্যামের প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে ১৯৬৬ সালে তাঁকে সই করায় ইস্টবেঙ্গল। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ পর্যন্ত গোর্খা ব্রিগেডের জার্সি গায়ে খেলেন। এরপর তিনি যোগ দেন মফতলাল মিলসে। ১৯৭৫ সালে আবার লালহলুদে ফিরে আসেন। ইস্টবেঙ্গলের টানা ষষ্ঠ বার কলকাতা লিগ জয়ের দলের সদস্য ছিলেন। ১৯৭৭ সালে শ্যাম থাপাকে তুলে নেয় মোহনবাগান। ১৯৮২ পর্যন্ত সবুজমেরুন জার্সি গায়েই খেলেন তিনি।এবছর জীবনকৃতি পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে প্রাক্তন গোলকিপার বলাই দেকে। কয়েকমাস আগে মোহনবাগান ক্লাবের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল, সুভাষ ভৌমিকের নামে একটা পুরস্কার দেওয়া হবে। এবছর সেই পুরস্কার পাচ্ছেন কিয়ান নাসিরি। শিবদাস ভাদুড়ি নামাঙ্কিত বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার পাচ্ছেন লিস্টন কোলাসো। রণব ব্যানার্জির নামাঙ্কিত সেরা ক্রীড়াবিদের পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে বাপি শেখকে। অরুণলালের নামাঙ্কিত সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার পাচ্ছেন প্রিনান দত্ত। এবছর থেকেই চালু হচ্ছে ক্রীড়া সাংবাদিক পুরস্কার। প্রয়াত মতি নন্দীর নামাঙ্কিত এই পুরস্কার পাচ্ছেন অশোক দাশগুপ্ত। সেরা ক্রীড়া সংগঠকের পুরস্কার পাচ্ছেন গোকুলম কেরলের সভাপতি ভিসি প্রবীণ।করোনা মহামারীর কারণে বিগত দুই বছর ধরে ভার্চুয়ালভাবে মোহনবাগান দিবস পালন করা হয়েছিল। এখন পরিস্থিতি বদলেছে। কোভিডের প্রকোপ কিছুটা কমেছে তাই এবারের মোহনবাগান দিবসকে চিরাচরিত উজ্জ্বল্য ফিরিয়ে আনতে চায় সবুজমেরুনের নতুন কার্যকরী কমিটি। প্রাক্তনদের একটি ম্যাচ আয়োজিত হবে মোহনবাগান দিবসের অনুষ্ঠান শুরুর আগে। অনুষ্ঠান শুরু হবে পৌষালি বন্দ্যোপাধ্যায়ের গান দিয়ে। সবশেষে অনুষ্ঠান করবে চন্দ্রবিন্দু।

জুলাই ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কার্ল ম্যাকহিউকে ছেড়ে দেবে এটিকে মোহনবাগান?‌ তেমন সম্ভাবনাই তৈরি হয়েছে

আইএসএলে তিরির অবর্তমানে এটিকে মোহনবাগানের ডিফেন্সকে দারুণ নির্ভরতা দিয়েছিলেন কার্ল ম্যাকহিউ। ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে খেলেও দারুণ নজর কেড়েছিলেন। সামনের মরশুমে কোপ পড়তে চলেছে এই বিদেশি ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারের ওপর। তাঁকে না রাখার পথে হাঁটছে সবুজমেরুণ কর্তারা।সামনের মরশুমের জন্য দারুণভাবে দল গুছিয়ে নিচ্ছে এটিকে মোহনবাগান। দল অনেকটাই ঢেলে সাজাচ্ছে। শূন্যস্থান ভরাট করার জন্য স্বদেশি ফুটবলারের পাশাপাশি নতুন বিদেশি ফুটবলার নেওয়ার দিকেও নজর দিয়েছে। তিরির বিকল্প হিসেবে কয়েকদিন আগে চুক্তি করেছে অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্ডার ব্রেন্ডন হামিলের সঙ্গে। এরপরই সই করিয়েছে পল পোগবার দাদা ফ্লোরেন্টিন পোগবাকে। এই দুই ফুটবলারই সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার। চোট পেয়ে ৮ মাস মাঠের বাইরে ছিটকে যাওয়া তিরিকে আবার দারুণ পছন্দ এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দোর। চোট সারিয়ে ফিট হয়ে গেলে তাঁকেও দলে রাখতে চান ফেরান্দো।ইতিমধ্যেই ব্রেন্ডন হামিল, ফ্লোরেন্টিন পোগবার সঙ্গে চুক্তি করেছে এটিকে মোহনবাগান। সঙ্গে তিরি যোগ হলে তিনজন সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার। অন্যদিকে জনি কাউকো এবং হুগো বোমাসকে ছাড়বে না এটিকে মোহনবাগান। সময় যত গড়িয়েছে ভারতীয় ফুটবলের সঙ্গে দারুণভাবে মানিয়ে নিয়েছেন জনি কাউকো। রয় কৃষ্ণা ও ডেভিড উইলিয়ামস দল ছাড়ায় নতুন বিদেশি স্ট্রাইকার নিতে হবে এটিকে মোহনবাগানকে। ফলে কার্ল ম্যাকহিউয়ের জায়গা নেই। ম্যাকহিউকে দলে রাখতে গেলে বিদেশি স্ট্রাইকার নিতে পারবেন না সবুজমেরুণ কর্তারা। ফলে তাঁকেই ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন।শুধু কার্ল ম্যাকহিউ নন, সন্দেশ ঝিংঘানকেও ছেড়ে দিতে পারে এটিকে মোহনবাগান। কারণ জুয়ান ফেরান্দো ৩৫২ ছকে দল সাজাতে পছন্দ করেন। তাঁর সেই সিস্টেমে সন্দেশ খাপ খাওয়াতে পারবেন না। জুয়ান ফেরান্দো রক্ষণে যে ব্রেন্ডন হামিল ও ফ্লোরেন্টিন পোগবার ভরসা করবেন, এই দুই ফুটবলারকে দলে নেওয়াতেই তার প্রমাণ। এটিকে মোহনবাগানের এক কর্তা বলছিলেন, কোচের পরিকল্পনা অনুসারেই আমরা দল সাজাচ্ছি। ওর পরামর্শ অনুসারেই নতুন ফুটবলার নেওয়া হচ্ছে।

জুন ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দলবদলে বড় চমক, পল পোগবার দাদা এটিকে মোহনবাগানে

দীর্ঘদিন ধরেই স্প্যানিশ তারকা তিরির বিকল্প খুঁজছিলেন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। দিন কয়েক আগে এশিয়ান কোটায় অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্ডার ব্রেন্ডন হামিলের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত করেছেন বাগান কর্তারা। এবার আরও বড় চমক দিলেন তাঁরা। ডিফেন্স আরও মজবুত করতে চুক্তি চূড়ান্ত করলেন ফ্রান্সের মিডফিল্ডার পল পোগবার দাদা ফ্লোরেন্টিন পোগবাকে। দলবদলের বাজারে আপাতত সবচেয়ে বড় চমক দিলেন এটিকে মোহনবাগান কর্তারা। যদিও পল পোগবার মতো নামী ফুটবলার নন ফ্লোরেন্টিন পোগবা। নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি তিনি। এখন তিনি খেলেন ফ্রান্সের লিগা ২এর দ্বিতীয় সারির দল এফসি সোচাউক্স মন্টবিলিয়ার্ডে। ২০২০ সালে এই ক্লাবে যোগ দিয়েছিলেন ফ্লোরেন্টিন পোগবা। তিন বছরের চুক্তিতে ফ্রান্সের দ্বিতীয় সারির এই দলে সই করেছিলেন। দুবছর কাটানোর পর ফ্লোরেন্টিন পোগবা নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে চান। তাই আইএসএলে খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।বিগত দুই মরশুমে লিগা ২তে এফসি সোচাউক্স মন্টবিলিয়ার্ডের জার্সিতে ৬২টি ম্যাচ খেলেছেন ফ্লোরেন্টিন পোগবা। তার আগে তিনি ৬ বছর লিগা ১এ ল সেন্ট এটিনের হয়ে খেলেছেন। ফ্রান্সের দ্বিতীয় ডিভিশনে দাপিয়ে খেলার পাশাপাশি তিনি মেজর লিগ সকার লিগে আটলান্টা ইউনাইটেডে এক মরশুম কাটিয়েছেন। একসময় ফ্লোরেন্টিন পোগবাকে দলে নেওয়ার জন্য আগ্রহী ছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, এভারটন। তাঁর জন্ম গিনিতে। তবে ফুটবলজীবন শুরু করেছিলেন ফ্রান্সে। যদিও পল পোগমার মতো তিনি ফ্রান্সের হয়ে খেলেননি। গিনির হয়েই খেলেন। ২০১০ সালে জাতীয় দলে অভিষেক হয় মাত্র ১৯ বছর বয়সে। এটিকে মোহনবাগানের হয়ে ফ্লোরেন্টিনো পোগবাকে সরকারিভাবে সই করানোর কোনও ঘোষণা এখনও করা হয়নি। তবে তাঁর পুরনো ক্লাবের পক্ষ থেকে এটিকে মোহনবাগানে আসার কথা জানানো হয়েছে।

জুন ২৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? বিষয়টা হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী। আসল অভিমুখের সমস্যা দেখুন।

মানবিক আচরণ করুন, পার্কস্ট্রিটের ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে কুণালফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই পার্কস্ট্রিটের ওই ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। এদিন তিনি ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। একই সঙ্গে পার্কস্ট্রিট থানার পুলিশের কাছেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মানবিক আচরণের আবেদন জানান তিনি।কুণাল ঘোষের বক্তব্য, ফুটপাথে বসবাসকারী মানুষও সমাজেরই অংশ। তাঁদের সঙ্গে সহানুভূতিশীল ও মানবিক আচরণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে কোনও পরিবারের শিশু, মহিলা বা অসহায় সদস্যদের বিষয়টি বিবেচনা করে প্রশাসনের আরও সংবেদনশীল হওয়া উচিত বলেই মনে করেন তিনি।অগ্নিমিত্রা পালের আচরণ ও মন্তব্য প্রসঙ্গে কুণালের বক্তব্যের মূল সুর ছিলকোনও সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে অসহায় মানুষকে হেয় বা অপমান করা উচিত নয়। ফুটপাথে কেন কোনও পরিবারকে থাকতে হচ্ছে, সেই বৃহত্তর সামাজিক ও মানবিক সমস্যাটিও প্রশাসনকে দেখতে হবে। সামাজ মাধ্যমে এক ব্যক্তির প্রশ্নের উত্তরে কুনাল ঘোষ লেখেন, দিল্লী বা লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? রাস্তায় ভিক্ষুক এ বিষয়টার থেকেও গুরুত্বপূর্ন হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী বলেন কুনাল ঘোষ।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাম ও তৃণমূল শিবির থেকে অগ্নিমিত্রা পালের সমালোচনা শুরু হয়েছে। বাম নেত্রী কনীনিকা ঘোষও পুরমন্ত্রীর আচরণের নিন্দা করেছেন।যদিও রাজনৈতিক চাপানউতোরের মাঝেই অগ্নিমিত্রা পালের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি। তাঁর দাবি, ওই পরিবারের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই পুরমন্ত্রী পদক্ষেপ করেছিলেন। বিষয়টিকে নেগেটিভ ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে বলেও দাবি তাঁর।ফলে ফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক ক্রমেই রাজনৈতিক তরজায় পরিণত হয়েছে। একদিকে ফুটপাথবাসী পরিবারের প্রতি মানবিক আচরণের দাবি, অন্যদিকে তাঁদের নিরাপত্তার যুক্তিদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

আগস্ট ২৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬
টুকিটাকি

কাঁচা কুমড়ো না পাকা কুমড়ো, কোনটি বেশি উপকারী?

কুমড়ো বাঙালির রান্নাঘরের অতি পরিচিত একটি সবজি। কাঁচা সবুজ কুমড়ো হোক বা পাকা হলুদ-কমলা কুমড়ো, দুটিরই রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। তবে পরিপক্বতার সঙ্গে কুমড়োর পুষ্টি উপাদানে কিছুটা পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে পাকা কমলা কুমড়ো বিটা-ক্যারোটিনের অন্যতম ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত।কাঁচা কুমড়োতে তুলনামূলকভাবে ভিটামিন C-এর পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। এতে ক্যালোরিও কম, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের খাদ্যতালিকায় এটি রাখা যেতে পারে। কিছু জাতের অপরিপক্ব কুমড়োতে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কার্যকারিতাও দেখা যায়। তবে কাঁচা কুমড়ো রান্না করে খাওয়াই ভালো, কারণ তাতে হজম সহজ হয়।অন্যদিকে, পাকা হলুদ বা কমলা কুমড়োর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল প্রচুর বিটা-ক্যারোটিন। শরীর এই উপাদানকে ভিটামিন A-তে রূপান্তর করে। ফলে চোখের স্বাস্থ্য, ত্বক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে পাকা কুমড়ো উপকারী। এতে লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও রয়েছে। রান্না করলে কুমড়োর বিটা-ক্যারোটিন শরীর তুলনামূলক সহজে শোষণ করতে পারে।কুমড়োকে ক্যানসারের ওষুধ বা নিশ্চিত প্রতিরোধক বলা যায় না। তবে এতে থাকা ক্যারোটিনয়েড, পলিফেনল, ভিটামিন C ও E এবং খাদ্যআঁশ শরীরকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে কুমড়ো খাওয়া উপকারী হতে পারে।কুমড়োর বীজেও রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত চর্বি, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন E। হৃদ্স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক পুষ্টির জন্য এগুলি গুরুত্বপূর্ণ।পুষ্টিগত বিচারে বিটা-ক্যারোটিনের জন্য পাকা কমলা কুমড়ো কিছুটা এগিয়ে থাকলেও কাঁচা কুমড়োকেও খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কারণ নেই। অল্প তেলে রান্না করে, অতিরিক্ত ভাজা বা চিনি এড়িয়ে কুমড়ো খাওয়াই ভালো। সব মিলিয়ে, বিভিন্ন ধরনের সবজি, ডাল ও স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে কুমড়ো রাখলেই মিলবে বেশি সুষম পুষ্টি।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ওয়াকফ-অশান্তির মামলায় নাম, এবার তৃণমূল ছেড়ে অধীরের হাত ধরে কংগ্রেসে ইনজামুল! কেন এই দলবদল?

ওয়াকফ সংশোধিত আইনকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনার পর থেকেই বিতর্কে ছিলেন ধুলিয়ানের পুরপ্রধান ইনজামুল ইসলাম রাজা। এবার সেই ইনজামুলই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন। রবিবার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। তাঁর এই দলবদল ঘিরে মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।গত বছর সংশোধিত ওয়াকফ আইনকে কেন্দ্র করে জঙ্গিপুরের সামশেরগঞ্জ, সুতি এবং ধুলিয়ানে অশান্তি ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনায় ইনজামুল ইসলাম রাজার বিরুদ্ধে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে সেই মামলা চলছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইনজামুল। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।রবিবার ধুলিয়ানের কাঞ্চনতলা ঘাটে কংগ্রেসের যোগদান সভায় বড়সড় দলবদল হয়। ইনজামুল ইসলাম রাজার পাশাপাশি ধুলিয়ান পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান খায়রুল আলম, কাউন্সিলর শরিফ শেখ, ফারহানা খাতুন-সহ একাধিক কাউন্সিলর এবং তৃণমূলের কর্মীরা কংগ্রেসে যোগ দেন। একই দিনে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি ওবায়দুর রহমানও কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।ইনজামুলের দলবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি মিলন ঘোষ কটাক্ষ করে দাবি করেন, তৃণমূলের দুর্নীতি থেকে বাঁচতেই অনেকে দলবদল করছেন। সামশেরগঞ্জের অশান্তিতে যাঁদের নাম উঠেছিল, তাঁরাও নিজেদের বাঁচাতে দল পরিবর্তন করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে দলবদল করেও তাঁরা আইনি পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাবেন না বলেও দাবি করেন বিজেপি নেতা।বিজেপির এই অভিযোগ অবশ্য সরাসরি খারিজ করেছেন ইনজামুল ইসলাম রাজা। তাঁর দাবি, সামশেরগঞ্জের অশান্তির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ ছিল না। রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সেই মামলার বিরুদ্ধে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের এই ভাঙন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ধুলিয়ান পুরসভার একাধিক জনপ্রতিনিধির একসঙ্গে দলবদল স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে ওয়াকফ-অশান্তির মামলা চলার মধ্যেই ইনজামুলের কংগ্রেসে যোগদান ঘিরে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এ দিনের যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী, দক্ষিণ মালদহের সাংসদ ইশা খান চৌধুরী, ফরাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম এবং জঙ্গিপুর মহকুমা কংগ্রেসের সভাপতি আলফাজুদ্দিন বিশ্বাস-সহ জেলা ও ব্লক স্তরের কংগ্রেস নেতৃত্ব।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বাংলায় এত বড় বিনিয়োগ! জাহাজ শিল্পে পাঁচ প্রকল্পের সূচনায় বাড়ল আশার আলো

পশ্চিমবঙ্গে জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের ভবনে পাঁচটি সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এই পাঁচটি প্রকল্পে মোট ৩৪০৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।এই উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে রাইচক CPR, টিম্বার পন্ট শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, দামোদর শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, রেডিয়াল ফোরজিং প্ল্যান্ট এবং ৩০০০ টন ওপেন-ডাই ফোরজিং প্রেস প্রকল্প। জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্পগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে বাংলায় বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের ভূমিকার প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলায় শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় জমি, দক্ষ মানবসম্পদ, পরিকাঠামো এবং কাঁচামাল রয়েছে। এতদিন এই সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একসঙ্গে কাজ করলে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, নতুন সরকারের আমলে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের ফলে উন্নয়নের গতি আরও বাড়ছে।সীমান্ত সুরক্ষার প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য জমি দেওয়া কোনও রাজনৈতিক বিষয় নয়, বরং রাজ্য সরকারের দায়িত্ব বলেই মন্তব্য করেন তিনি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় জমির প্রায় ৯০ শতাংশ হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জনগণনা সংক্রান্ত কাজও ফের শুরু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে রাজ্যে বেকারত্ব কমাতে শিল্পায়ন এবং বড় বিনিয়োগের উপর জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার জমি এবং পরিকাঠামো সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ৩৪০৪ কোটি টাকার এই বিনিয়োগ দিয়েই উদ্যোগ শেষ নয়, আগামী দিনে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনের পাশাপাশি এই ধরনের শিল্প প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাকে ফের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

মহাকাশে বদলে যাচ্ছে ভারতের ছবি! স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে কী বললেন মোদী?

জাতীয় মহাকাশ দিবসে দেশের মহাকাশ ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার দেশের প্রথম সারির মহাকাশ স্টার্টআপগুলির প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপগুলির উদ্যম, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং নতুন ভাবনার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন আরও সহজ করতে মহাকাশ প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার খুঁজে বার করার পরামর্শ দেন তিনি।মোদী বলেন, মহাকাশ প্রযুক্তিকে শুধু প্রচলিত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেই বিষয়ে নতুন করে ভাবার পরামর্শ দেন তিনি।ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ নিয়েও স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রশংসা করে তিনি সরকারি নীতির ধারাবাহিকতার উপর জোর দেন। তাঁর বক্তব্য, সরকারের সিদ্ধান্তের উপর মহাকাশ ক্ষেত্রে কাজ করা সংস্থাগুলির যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি।বিশ্বের মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন মোদী। তাঁর আশা, আগামী দিনে মহাকাশ ক্ষেত্রে কোনও বড় প্রযুক্তিগত সাফল্য এলেই বিশ্বের নজর ভারতের স্টার্টআপগুলির দিকে ঘুরবে। ভারতীয় সংস্থাগুলি যেন বিশ্ব মহাকাশ ক্ষেত্রে নিজেদের শক্তিশালী পরিচয় তৈরি করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এগোতে হবে বলে বার্তা দেন তিনি।মহাকাশ স্টার্টআপ, মহাকাশ সংস্থা এবং বৃহত্তর প্রযুক্তি ক্ষেত্রের মধ্যে আরও বেশি সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশে কাজ করা ভারতীয় দক্ষ পেশাদারদের দেশে ফিরে আসার প্রবণতাকেও ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, ভারতে এমন পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ মানুষ মহাকাশ ক্ষেত্রে কেরিয়ার গড়ার জন্য ভারতকে অন্যতম সেরা ঠিকানা হিসেবে বেছে নেন।মোদীর বক্তব্য, ভারতীয় মহাকাশ স্টার্টআপগুলির দ্রুত বৃদ্ধি আগামী দিনে বিশ্বের প্রতিভাবান পেশাদারদের আকৃষ্ট করতে পারে। শুধু দেশের প্রতিভা নয়, গোটা বিশ্বের দক্ষ মানুষকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এগোতে হবে। জাতীয় মহাকাশ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তায় মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আবার নিম্নচাপের চোখরাঙানি! রবিবার থেকে মঙ্গলবার ভিজবে বাংলা, কোথায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা?

রবিবার থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় ফের বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। উপকূলের দিকে ইতিমধ্যেই মেঘ ঢুকতে শুরু করেছে। ফলে রবিবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি চলতে পারে।গত সপ্তাহে নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতা-সহ প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হয়েছিল। বহু জায়গায় জল জমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। অগস্ট মাসে এটি তৃতীয় নিম্নচাপ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। নতুন এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন নিম্নচাপটি বাংলা ও ওড়িশা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টি বেশি হতে পারে। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে নিম্নচাপের মূল প্রভাব পড়তে পারে ওড়িশা এবং ছত্তীসগঢ়ে।দক্ষিণবঙ্গের পর মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে।বৃহস্পতিবারও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে সপ্তাহের শুরু থেকেই ফের বৃষ্টির দাপট দেখা দিতে পারে বাংলায়। নতুন নিম্নচাপের গতিপথ এবং শক্তি বদলালে বৃষ্টির পূর্বাভাসেও পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক বাইচুংয়ের, ‘স্থানীয় রাজনীতি’ বলে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল! যুবভারতীর ম্যাচ ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক

৩ অক্টোবর কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত বনাম ব্রাজিলের বহু প্রতীক্ষিত ফুটবল ম্যাচ। বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবল দলের বিরুদ্ধে ভারতের মাঠে নামার খবরে ইতিমধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু ম্যাচ যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে বিতর্কও। একদিকে এই ম্যাচ আয়োজনকে ঘিরে বিপুল খরচ এবং দেশের ফুটবল পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, অন্যদিকে এর জন্য ঘরোয়া ফুটবল সূচি ও জাতীয় দলের পরিকল্পনায় প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ।এই পরিস্থিতিতেই ভারতীয় ফুটবলের কিংবদন্তি বাইচুং ভুটিয়া সরাসরি ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, একটি মাত্র প্রদর্শনী ম্যাচের পিছনে বিপুল অর্থ খরচ না করে সেই টাকা দীর্ঘমেয়াদি ভাবে ভারতীয় ফুটবলের উন্নয়নে বিনিয়োগ করা উচিত। বাইচুংয়ের মতে, এমন ম্যাচের পিছনে অর্থ ব্যয় করলে তা দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎকে এগিয়ে নেওয়ার বদলে উল্টে পিছিয়ে দিতে পারে।বাইচুংয়ের কথায়, ম্যাচ বয়কট করলে একটি স্পষ্ট বার্তা যাবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের বড় ম্যাচ আয়োজনের আগে ফেডারেশনকে আরও সতর্ক হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।বিপুল খরচ, প্রশ্নের মুখে ঘরোয়া ফুটবলকলকাতায় ব্রাজিলকে নিয়ে ম্যাচ আয়োজন করতে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। ম্যাচের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ব্রাজিলের পর্যবেক্ষক দল যুবভারতী পরিদর্শনও করেছে। স্টেডিয়ামের পরিকাঠামো নিয়ে তাদের তরফে কিছু উদ্বেগের কথাও উঠে এসেছে।এর পাশাপাশি সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে ভারতীয় ফুটবলের ঘরোয়া কাঠামো নিয়ে। ব্রাজিল ম্যাচকে কেন্দ্র করে আইএসএলের সূচি পিছিয়ে যাওয়ার জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে ক্লাবগুলির প্রস্তুতি এবং গোটা মরসুমের পরিকল্পনা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।অন্যদিকে ফিফা এশিয়ান কাপের বিষয়টিও নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ এবং অন্যান্য সূচির সংঘাতের কারণে ভারত এশিয়ান কাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। যদিও এই বিষয়ে ব্রাজিল ফুটবল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও নিশ্চিত তথ্য তাদের কাছে নেই বলেই জানানো হয়েছে।বাইচুংয়ের প্রশ্নএক ম্যাচের জন্য এত টাকা কেন?বাইচুং ভুটিয়ার যুক্তি, ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে ৯০ মিনিটের ম্যাচ নিঃসন্দেহে ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বড় আকর্ষণ। কিন্তু সেই আবেগের বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা ভাবতে হবে।তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যদি এত বড় অঙ্কের অর্থ হাতে থাকে, তবে তা আগামী কয়েক বছরের জন্য দেশের ক্রীড়া পরিকাঠামো, প্রতিভা অন্বেষণ, প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরিতে বিনিয়োগ করা যায় না কেন? তাঁর মতে, সেই বিনিয়োগ থেকে ভবিষ্যতে কমনওয়েলথ গেমস বা অলিম্পিক্সের মতো মঞ্চে পদক পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।এবার পাল্টা বার্তা ব্রাজিলেরভারতীয় ফুটবল মহলে যখন ম্যাচ বয়কট নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে, তখন ব্রাজিলের ফুটবল কর্তাদের বক্তব্য পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের অভ্যন্তরে এই ম্যাচ নিয়ে কী ধরনের বিতর্ক চলছে, তা নিয়ে ব্রাজিল কর্তৃপক্ষ বিশেষ চিন্তিত নয়। ম্যাচের সূচি পরিবর্তনেরও কোনও সম্ভাবনা নেই।বয়কট নিয়ে ব্রাজিলের তরফে বিশেষ মাথাব্যথা নেই বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বরং এই ধরনের বক্তব্যকে স্থানীয় রাজনৈতিক বা অভ্যন্তরীণ বিতর্কের অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের দাবি।এশিয়ান কাপ থেকে ভারতের নাম প্রত্যাহারের বিষয়েও ব্রাজিল কর্তৃপক্ষের কাছে কোনও স্পষ্ট তথ্য নেই বলে জানা গিয়েছে। ফলে ভারতের অভ্যন্তরীণ ফুটবল পরিস্থিতির সঙ্গে ব্রাজিলের কলকাতা সফরকে যুক্ত করার কোনও কারণ দেখছে না পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।ভারত আমাদের সমর্থন করেছে, বলছে ব্রাজিলব্রাজিল দলের পক্ষ থেকে রড্রিগো কেতানোও এই ম্যাচের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর বক্তব্যের মূল সুরভারত বিশ্বকাপের সময়ে ব্রাজিলকে যে সমর্থন দিয়েছে, তার জন্য তারা কৃতজ্ঞ। কলকাতায় ম্যাচ আয়োজনকে তাই শুধু বাণিজ্যিক বা প্রদর্শনী ম্যাচ হিসেবে দেখছে না ব্রাজিল।ব্রাজিলের তরফে জানানো হয়েছে, এই ম্যাচে তারা নিজেদের সেরা ফুটবল উপহার দিতে চায়। অর্থাৎ ভারতের মাটিতে এসে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা সারাই তাদের লক্ষ্য নয়; বরং ভালো পারফরম্যান্স করে ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে তুলতে চায় তারা।স্টিমাচের কটাক্ষেও বাড়ছে বিতর্কব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ভারতের প্রাক্তন কোচ ইগর স্টিমাচও। তাঁর বক্তব্য, দেশের ঘরোয়া লিগ এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনার মধ্যে এখনও প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য তৈরি হয়নি। সেই সমস্যা সমাধান না করে ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার মতো দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ আয়োজন করা হলে তা ভারতীয় ফুটবলের জন্য উল্টে অস্বস্তির কারণ হতে পারে।অর্থাৎ একদিকে বাইচুংয়ের আর্থিক অগ্রাধিকারের প্রশ্ন, অন্যদিকে স্টিমাচের ঘরোয়া ফুটবলের কাঠামো নিয়ে অভিযোগসব মিলিয়ে ৩ অক্টোবরের ম্যাচ এখন শুধুমাত্র একটি ফুটবল ম্যাচে সীমাবদ্ধ নেই।ম্যাচ হবে, বিতর্কও চলবে?একদিকে ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে যুবভারতীতে ভারতকে দেখার স্বপ্নে ফুটবলপ্রেমীরা উত্তেজিত। অন্যদিকে দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ, বিপুল খরচ, আইএসএলের সূচি এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন প্রাক্তন ফুটবলার ও কোচেরা।ব্রাজিলের তরফে অবশ্য এখনও পর্যন্ত বার্তা স্পষ্টতারা ম্যাচ খেলতে প্রস্তুত এবং সূচি বদলের কোনও পরিকল্পনা নেই। ফলে ৩ অক্টোবর যুবভারতীতে ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা যেমন বাড়ছে, তেমনই তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিতর্কও। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত মাঠের ৯০ মিনিট কি সমস্ত বিতর্ককে ছাপিয়ে যেতে পারে, নাকি ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে এই প্রশ্নগুলি আরও জোরালো হয়ে ওঠে।

আগস্ট ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal